মহাগ্রন্থ আল-ক্বোরআন কিয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত থাকবে

0

মহাগ্রন্থ আল-ক্বোরআন কিয়ামত পর্যন্ত অবিকৃত থাকবে
মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ্ আল-মাসুম
পবিত্র ক্বোরআন মহান আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হওয়া সর্বশেষ ও শ্রেষ্ঠ আসমানি কিতাব। মানবজাতির মুক্তির একমাত্র সংবিধান। এটি আল্লাহ তায়ালার কালাম। তিনি নিজেই কিয়ামত অবধি ক্বোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে-
إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا الذِّکْرَ وَ إِنَّا لَهُ لَحَافِظُوْنَ .
অর্থাৎ- নিশ্চয়ই আমি এ গ্রন্থ (পবিত্র কুরআন) নাযিল করেছি এবং আমিই এর সংরক্ষণকারী। প্রতিটি মুসলমানের আকিদা ও বিশ্বাস, অবতীর্ণ হওয়া থেকে শুরু করে আজকের দিন পর্যন্ত কোরআনুল করিমের একটি আয়াত এমনকি একটি অক্ষরও পরিবর্তন হয়নি এবং কিয়ামত পর্যন্ত কেউ পরিবর্তন করতে পারবেও না। ক্বোরআন শরীফে কোন প্রকারের পরিবর্তন সাধন হওয়ার দাবী কারী মুসলমান থাকতে পারে না, সে নিঃসন্দেহে কাফের। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, ভারতে শিয়া ওয়াকফ বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ওয়াসিম রিজভী পবিত্র ক্বোরআনুল করিমের ২৬টি আয়াতের ওপর আপত্তি তুলে পরিবর্তনের আবেদন জানিয়ে গত ১১ মার্চ দেশটির সুপ্রিম কোর্টে রিট করেছে। অতীতেও তার বক্তব্যে ইসলাম সম্পর্কে নানা বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। এখন সে প্রকাশ্যে কোরআনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তার মতে, এই ২৬ আয়াত খোলাফায়ে রাশেদার প্রথম তিন খলিফা পবিত্র ক্বোরআনে সংযোজন করেছিলেন ইসলাম ধর্মকে জোর করে প্রচার করার লক্ষ্যে।
মূলত এটা ইসলামের বিরুদ্ধে এক নতুন ষড়যন্ত্র, যা কতিপয় মুসলমান নামধারী পথভ্রষ্ট, ধর্মকে উপেক্ষা করার নীতিতে বিশ্বাসী একদল ব্যক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছে দুশমনরা। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে পবিত্র ক্বোরআনকে বিতর্কিত ধর্মগ্রন্থ বলে প্রচার করা। এটা দ্বারা এও প্রামণিত হলো পাক-ভারত উপমহাদেশে শিয়া সম্প্রদায় ক্বোরআন তাহরীফে (বিকৃতি) বিশ্বাসী। এর মাধ্যমে এ অঞ্চলে শিয়া-সুন্নী সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্ব-সংঘাতকে উস্কে দেয়া তাদের অন্যতম লক্ষ্য। তাছাড়া, যারা শান্তির ধর্ম ইসলাম ও পবিত্র ক্বোরআনুল করিমকে বিতর্কিত গ্রন্থ এবং মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাসবাদী দেখিয়ে বিশ্বব্যাপী ইসলামের অগ্রযাত্রা ও প্রসারকে স্তব্ধ করে দিতে চায় তারা। আর এসব অশুভ লক্ষ্যেই ভারতের সুপ্রিম কোর্টে এ রিট করানো হয়েছে। ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে এ ষড়যন্ত্রের পেছনে রয়েছে ইসলামের চির-দুশমন ইহুদিবাদী ইসরাইল ও ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী চক্র যা এ পর্যন্ত বহুবার প্রকাশ পেয়েছে। এই রিট ভারতে শিয়া-সুন্নী নির্বিশেষে সংখ্যালঘু, অথচ বিশাল মুসলিম জনগোষ্ঠীকে সন্ত্রাসবাদী বলে চিহ্নিত করে তাদেরকে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করার অশুভ চেষ্টাও হতে পারে।
বস্তুত সমগ্র মুসলিমবিশ্ব ঐকমত্য পোষণ করে যে, পবিত্র ক্বোরআন অবিকৃত আসমানী কিতাব। এটি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর যেভাবে অবতীর্ণ হয়েছিল ঠিক হুবহু সেভাবে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন ও বিয়োজন ছাড়াই অকাট্য মুতাওয়াতির তথা নিশ্চিত সূত্রে আমাদের কাছে পৌঁছেছে। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগ থেকে শুরু করে আজ হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি মহাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিটি শতাব্দীর লিখিত ও প্রকাশিত পবিত্র কুরআনের সব কপি বা অনুলিপি হুবহু একই, এক ও অভিন্ন এবং এ সব কপির কোনো একটিতেও মূল টেক্সটের ভিন্নতা ও ইখতিলাফ বিদ্যমান নেই। আর এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র কুরআনের মূল টেক্সট সব ধরণের বিকৃতি (অর্থাৎ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন ও বিয়োজন) থেকে মুক্ত, পবিত্র ও সংরক্ষিত। আর এটা হচ্ছে এ আসমানী গ্রন্থের অলৌকিকত্ব। এ ছাড়াও পবিত্র ক্বোরআনের অবিকৃত ও বিশুদ্ধ থাকার ব্যাপারে অসংখ্য বুদ্ধিবৃত্তিক তাত্ত্বিক যুক্তি ও অকাট্য বৈজ্ঞানিক দলীল-প্রমাণ বিদ্যমান। এ স্বর্গীয় গ্রন্থের অনুপম, অভিনব, অপূর্ব-অলৌকিক ভাষা-শৈলী, সাহিত্যিক ও অলংকার শাস্ত্রীয় মান, অন্তর্নিহিত বিষয়বস্তু, বিধি-বিধান, শিক্ষা ও আদর্শের তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক গভীরতা, ব্যাপকতা, চির নবীনত্ব, বৈজ্ঞানিকত্ব, যৌক্তিকতা, শৃঙ্খলা, সামঞ্জস্য, ভারসাম্যও এ আসমানী গ্রন্থে মানব জীবনের সৌভাগ্যের সমুদয় সার্বিক দিক সহ এ সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যা সমাধানের মূল নীতিমালার বিদ্যমানতা প্রমাণ করে যে, এ গ্রন্থটি বিশ্ব জগতের ¯্রষ্টা মহান আল্লাহরই গ্রন্থ তথা ঐশী গ্রন্থ- যা মহান আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক সর্বদা সংরক্ষিত ও অবিকৃত আছে ও থাকবে এবং দুনিয়ার কোনো শক্তি এর ধ্বংস ও বিকৃতি সাধন করতে পারবে না। সূরা হিজরের ৯ নম্বর আয়াত থেকে স্পষ্ট প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র ক্বোরআন থেকে কোনো সূরা, আয়াত, শব্দ এবং বর্ণ বাদ দেয়া ও বাদ পড়া অসম্ভব। কারণ, সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালা এ ঐশী আসমানী কিতাবের সংরক্ষণ ও হিফাযতের দায়িত্ব নিয়েছেন ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ।
পবিত্র ক্বোরআন সকল মানব ও জিন্ জাতিকে এ গ্রন্থের অনুরূপ গ্রন্থ, ১০ টি সূরা অথবা অন্ততঃ একটি সূরা রচনা করে আনার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে আজ থেকে পনেরশত শতাব্দী আগে। ইরশাদ হচ্ছে-
قُل لَّئِنِ اجْتَمَعَتِ الإِنسُ وَالْجِنُّ عَلَى أَن يَأْتُواْ بِمِثْلِ هَذَا الْقُرْآنِ لاَ يَأْتُونَ بِمِثْلِهِ وَلَوْ كَانَ بَعْضُهُمْ لِبَعْضٍ ظَهِيرًا-
অর্থাৎ- হে রাসূল! আপনি বলুন, যদি এই ক্বোরআনের অনুরূপ গ্রন্থ আনয়নের জন্য মানুষ ও জিন্ন্ জাতি সমবেত হয় এবং তারা পরস্পরকে সাহায্য করে তবুও তারা এর অনুরূপ (গ্রন্থ) আনয়ন করতে পারবে না। অন্যত্র রয়েছে-
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ قُلْ فَأْتُواْ بِعَشْرِ سُوَرٍ مِّثْلِهِ مُفْتَرَيَاتٍ وَادْعُواْ مَنِ اسْتَطَعْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ-
অর্থাৎ- তারা কি বলে- ‘‘তিনি (হযরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এটা (পবিত্র ক্বোরআন নিজে রচনা করে মহান আল্লাহর নামে চালিয়ে দিয়েছেন) অর্থাৎ মহান আল্লাহর উপর মিথ্যা আরোপ করেছেন?’’ হে রাসূল! বলুন, তোমরা এর (পবিত্র ক্বোরআন) অনুরূপ দশটি স্বরচিত সূরা আনয়ন করো এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য যাকে পারো ডেকে আনো যদি তোমরা (তোমাদের দাবীতে) সত্যবাদী হও। অন্যত্র ইরশাদ হচ্ছে –
أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَاهُ قُلْ فَأْتُواْ بِعَشْرِ سُوَرٍ مِّثْلِهِ مُفْتَرَيَاتٍ وَادْعُواْ مَنِ اسْتَطَعْتُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ صَادِقِينَ-
অর্থাৎ- তারা কি বলে, ‘‘তিনি (হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা তথা এই কুরআন নিজে রচনা করে) মহান আল্লাহর ওপর মিথ্যা আরোপ করেছেন (এবং তিনি বলেছেন, এটা তাঁর উপর মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিল হয়েছে)?’’ হে রাসূল! বলুন, তবে তোমরা এর অনুরূপ একটি সূরা রচনা কর এবং আল্লাহ ছাড়া অন্য যাকে পারো আহ্বান কর, যদি তোমরা সত্যবাদী হও। অতঃপর ইরশাদ হচ্ছে –
وَإِن كُنتُمْ فِي رَيْبٍ مِّمَّا نَزَّلْنَا عَلَى عَبْدِنَا فَأْتُواْ بِسُورَةٍ مِّن مِّثْلِهِ وَادْعُواْ شُهَدَاءَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ إِنْ كُنتُمْ صَادِقِينَ- فَإِن لَّمْ تَفْعَلُواْ وَلَن تَفْعَلُواْ فَاتَّقُواْ النَّارَ الَّتِي وَقُودُهَا النَّاسُ وَالْحِجَارَةُ أُعِدَّتْ لِلْكَافِرِين-
অর্থাৎ- আমি আমার খাস বান্দার (মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) উপর যা অবতীর্ণ করেছি তাতে (পবিত্র ক্বোরআন) তোমাদের কোনো সন্দেহ থাকলে তোমরা তার অনুরূপ কোনো সূরা আনয়ন করো এবং তোমরা যদি সত্যবাদী হও (তোমাদের দাবীতে) তবে আল্লাহ ছাড়া তোমাদের সকল সাক্ষীদের কিংবা সাহায্যকারীদের আহ্বান করো। যদি তোমরা (আনয়ন) না কর তবে কখনোই করতে পারবে না। অতএব সেই আগুনকে ভয় করো- মানুষ এবং পাথর হবে যার ইন্ধন, সত্য প্রত্যাখ্যানকারীদের জন্য যা প্রস্তুত রয়েছে।
দীর্ঘ ১৫ শতাব্দী ধরে ইসলামের দুশমনরা বহু চেষ্টা চালিয়ে আজও মহান আল্লাহর এই চিরন্তন চ্যালেঞ্জকে বিন্দুমাত্র ম্লান করতে পারেনি। অথচ এই সময়ে আরবী ভাষাভাষী মুসলিম কবি সাহিত্যিক ও পন্ডিত ছাড়াও আরবী ভাষাভাষী বিপুল সংখ্যক খ্রীষ্টান, ইহুদী, সাবিয়ী ও নাস্তিক কবি, সাহিত্যিক ও পন্ডিত আবির্ভূত ও গত হয়েছে। কিন্তু তাদের কেউ পবিত্র কুরআনের এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা ও খন্ডন করে পবিত্র কুরআনের সূরার অনুরূপ ও সদৃশ অন্ততঃ একটি সূরাও রচনা করে দেখাতে পারেননি । পক্ষান্তরে বহু নিরপেক্ষ অমুসলিম মনীষী ও পন্ডিত পবিত্র কুরআনের তাত্ত্বিক জ্ঞানগত (বৈজ্ঞানিক) শ্রেষ্ঠত্ব, এর অন্তর্নিহিত অনুপম সাহিত্যিক মান ও সৌন্দর্য এবং বিষয়বস্তুগত তাৎপর্যের গভীরতা ও ব্যাপকত্ব এবং নির্মল-পরিশুদ্ধ মানব চরিত্র ও জীবন গঠনে এই গ্রন্থের অপরিসীম গুরুত্ব ও কার্যকরী প্রভাবের কথা অকপটে স্বীকার করেছেন। আর অনেক অমুসলিম মনীষী ও পন্ডিত ব্যক্তি গবেষণা করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং বর্তমানেও তা অব্যাহত রয়েছে। অগণিত প্রতিবন্ধকতা ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও পাশ্চাত্যে ইসলাম ক্রমপ্রসারমান ধর্ম। ফলে ইসলামের শত্রুরা এ দ্বীনের আলো ফুৎকার দিয়ে নিভিয়ে দিতে চায়। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তাঁর ঐশী দ্বীনের আলো প্রজ্বলিত রাখবেনই যদিও কাফির মুশরিকরা তা পছন্দ করে না। ইরশাদ হচ্ছে-
یُرِیْدُوْنَ أَنْ یُطْفِئُوْا نُوْرَ اللّٰهِ بِأَفْوَاهِهِمْ وَ یَأْبَی اللّٰهُ إِلَّا أَنْ یُتِمَّ نُوْرَهُ وَ لَوْ کَرِهَ الْکَافِرُوْنَ –
অর্থাৎ- তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূর (জ্যোতি তথা ইসলাম) নির্বাপিত করতে চায়।
কাফিররা অপ্রীতিকর মনে করলেও আল্লাহ তাঁর নূরের (জ্যোতি) পূর্ণ উদ্ভাসন ছাড়া আর কিছুই চান না।
অন্যত্র রয়েছে-
هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ-
অর্থাৎ- তিনিই (মহান আল্লাহ) তাঁর রাসূলকে প্রেরণ করেছেন হুদা (পথনির্দেশ) ও সত্য দ্বীনসহ সকল দ্বীন বা ধর্মের ওপর একে বিজয়ী ও শ্রেষ্ঠত্ব দান করার জন্য, যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে। আরো ইরশাদ হচ্ছে-
وَ کَفَیٰ بِاللّٰهِ شَهِیْدَاً .
অর্থাৎ আর সাক্ষী হিসেবে মহান আল্লাহই যথেষ্ট। আর অভিশপ্ত মুরতাদ ওয়াসীম রিযভীর এ জঘন্য ঘৃণ্য পদক্ষেপ ব্যক্তির বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের বিষয় নয়। এ সবের দোহাই দিয়ে এ ধরণের পথভ্রষ্ট ব্যক্তিদেরকে আস্কারা দেওয়া মোটেও ঠিক হবে না। তাই আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সেই সাথে এ বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টিকারী ওয়াসীম রিযভীকে উপযুক্ত শাস্তি দিয়ে অচিরেই এ ফিৎনার অগ্নি নেভানোর আহ্বান জানাচ্ছি ভারত সরকারের প্রতি।
ইতোপূর্বে ইসলামের নবী, ইসলাম ধর্ম ও ইসলামের বিধানাবলীর বিরোধিতা করতে গিয়ে মুরতাদ্দ্াহ্ তাসলীমা গং এর অশুভ পরিণতি, তাদের প্রতি মানুষের ঘৃণা ও ধিক্কার ইত্যাদি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, এ মরদূদ শিয়া বিজাতীর উপর খোদায়ী গযব সম্প্রতি ভারতে গণধোলাই দিয়ে দিগম্বর করার মতো লাঞ্ছণা আরম্ভ হয়ে গেছে। ভবিষ্যতেও তার দুর্দশা শিক্ষণীয় ব্যাপার হবে বলে অনুমাণ করা হচ্ছে।

লেখক: আরবী প্রভাষক-রাণীরহাট আল-আমিন হামেদিয়া ফাযিল মাদরাসা, রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম।

শেয়ার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •