দরসে কোরআন

0

দরসে কোরআন-
হাফেয কাজী আবদুল আলীম রিজভী >
بِسْمِ اللهِ الرَّحْمنِ الرَّحِيْمِ
مَا قَطَعْتُم مِّن لِّينَةٍ أَوْ تَرَكْتُمُوهَا قَائِمَةً عَلَىٰ أُصُولِهَا فَبِإِذْنِ اللهِ وَلِيُخْزِيَ الْفَاسِقِينَ ﴿٥﴾ وَمَا أَفَاءَ اللهُ عَلَىٰ رَسُولِهِ مِنْهُمْ فَمَا أَوْجَفْتُمْ عَلَيْهِ مِنْ خَيْلٍ وَلَا رِكَابٍ وَلـٰكِنَّ اللهَ يُسَلِّطُ رُسُلَهُ عَلَىٰ مَن يَشَاءُ ۚ وَاللهُ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ ﴿٦﴾ مَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَىٰ رَسُولِهِ مِنْ أَهْلِ الْقُرىٰ فَلِلّهِ وَلِلرَّسُولِ وَلِذِي الْقُرْبىٰ وَالْيَتَامىٰ وَالْمَسَاكِينِ وَابْنِ السَّبِيلِ كَيْ لَا يَكُونَ دُولَةً بَيْنَ الْأَغْنِيَاءِ مِنكُمْ ۚ وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا ۚ وَاتَّقُوا اللهَ ۖ إِنَّ اللَّـهَ شَدِيدُ الْعِقَابِ ﴿٧﴾
আল্লাহ্র নামে আরম্ভ, যিনি পরম দয়ালু, করুণাময়
তরজমা ঃ (মহান আল্লাহ এরশাদ করেছেন-) যে বৃক্ষগুলো তোমরা কর্তন করেছো অথবা সেগুলোর মূলের উপর দন্ডায়মান অবস্থায় ছেড়ে দিয়েছো এ সবই আল্লাহর অনুমতিক্রমে ছিল এবং এ জন্য যে, অবাধ্যগণকে অপমানিত করবেন। এবং আল্লাহ আপন রাসূলকে তাদের (অর্থাৎ বনু নুযায়র এর) নিকট থেকে যে গণিমত প্রদান করেছেন অতঃপর তোমরা তো তাদের উপর না নিজেদের অশ^ পরিচালনা করেছো এবং না উট। হ্যাঁ, আল্লাহ আপন রাসূলগণের আয়ত্বে দিয়ে দেন যাকে চান। আল্লাহ সব কিছু করতে পারেন, রাসূলকে জনপদবাসীদের (অর্থাৎ বনু নুযায়র এর) নিকট থেকে যে গনীমত প্রদান করেছেন, তা আল্লাহর রাসূলের এবং নিকটাত্মীয়দের, ইয়াতীমদের, মিসকীনদের এবং মুসাফিরদের জন্য, যাতে তা তোমাদের বিত্তশালীদের সম্পদ না হয়ে যায়। এবং যা কিছু তোমাদের কে রাসূল দান করেন, তা গ্রহণ করো। আর যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করেন তা থেকে বিরত থাকো। এবং আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয় আল্লাহর শাস্তি কঠোর। [সূরা আল-হাশর, ৫,৬,৭]  [03. Rabiul Aawal সংখ্যা ডাউনলোড করুন] https://www.anjumantrust.org/১৪৪৮-হিজরি/

আনুষঙ্গিক আলোচনা
আল্লাহর বাণী الخ مَا قَطَعْتُم مِّن لِّينَةٍ أَوْ এর শানে নুুুযুল
উদ্ধৃত আয়াতের শানে নুযুল বর্ণনায় মুফাসসেরীনে কেরাম উল্লেখ করেছেন মদীনা মুনাওয়ারায় বসবাসকারী ইয়াহুদীগোত্র বনু নুযায়র এর খেজুর বাগান ছিল। তারা যখন আত্ম রক্ষার্থে দুর্গের অভ্যন্তরে অবস্থান গ্রহণ করল। তখন রাসূলে করীম রউফুর রহীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে কিছু সংখ্যক মুসলমান তাদের উত্তেজিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত করার উদ্দেশ্যে তাদের কিছু খেজুর বৃক্ষ কর্তন করে অথবা অগ্নিসংযোগ করে জ¦ালিয়ে ধ্বংস করে দিলেন। অপর কিছু সংখ্যক সাহাবী মনে করলেন- ইনশা আল্লাহ বিজয় তো আমাদের হবে এবং পরিণামে এসব বাগ-বাগিচা মুসলমানদের অধিকারভুক্ত হবে। এই মনে করে তারা বৃক্ষ কর্তনে বিরত রইলেন। এটা ছিল মতে গরমিল। পরে যখন তাঁদের মধ্যে কথাবার্তা হল, তখন বৃক্ষ কর্তনকারীরা এই মনে করে চিন্তিত হলেন যে, যে বৃক্ষ পরিণামে মুসলমানদের হবে, তা কর্তন করে তারা অন্যায় করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আলোচ্য আয়াত অবতীর্ণ হলো। এতে উভয় দলের কার্যক্রম কে মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীনের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ বলে ঘোষিত হল।
[তাফসিরে নূরুল ইরফান ও খাযায়েনুল ইরফান শরীফ]

وَمَا أَفَاءَ اللَّـهُ عَلَىٰ رَسُولِهِ الخ এর শানে নুযুল
আলোচ্য আয়াতের শানে নুুযুল বর্ণনায় তাফসীর শাস্ত্র বিশারদগণ উল্লেখ করেছেন- জাহেলী যুগের প্রথা ছিল যে, গণীমতের মালের এক চুতুর্থাংশ সর্দারই নিজের জন্য গ্রহণ করতো। অবশিষ্ট তিন অংশ সৈনিকরা পরষ্পর এভাবে ভাগ করে নিত যে, ধনবানরা বেশি পরিমাণ গ্রহণ করত আর স্বল্প পরিমাণ দরিদ্রদের দান করতো। একদা রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের দরবারে ছাহাবায়ে কেরাম আরজ করলেন- ওহে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম! এ গনীমত থেকে এক চতুর্থাংশ আপনি গ্রহণ করুন। আর অবশিষ্ট তিন অংশ আমরা প্রথানুসারে ভাগ করে নিব। এর জবাবে উপরোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করে জাহেলী যুগের প্রথা বাতিল করা হয়। এবং গনিমতের সম্পদের প্রকৃত হকদার কারা তা বর্ননা করা হয়। [তাফসীরে নুরুল ইরফান ও খাযায়েনুল ইরফান]
غنيمت ও فئএর ব্যাখ্যা ও বিধান ঃ
আলোচ্য সূরা আল-হাশর এর ৬ ও ৭ নম্বর আয়াতে বর্ণিত افاء শব্দটি আরবি فئ মূল ধাতু হতে উদ্ভূত। আরবী ভাষা তাত্ত্বিকগণের মতে-فئ এর আভিধানিক অর্থ হলো- প্রত্যাবর্তন করা। এজন্য দুপুরের পরবর্তী পূর্বদিকে প্রত্যাবর্তনকারী ছায়াকেও আরবীতে فئ বলা হয়। কাফের-মুশরিকদের কাছ থেকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদের স্বরুপ এই যে, কাফির-বেদ্বীনরা বিদ্রোহী হওয়ার কারণে তাদের ধন-সম্পদ সরকারের পক্ষে বাজেয়াপ্ত হয়ে যায় এবং তাদের মালিকানা থেকে বের হয়ে প্রকৃত মালিক আল্লাহ তায়ালার দিকে ফিরে যায়। তাই এই সম্পদ অর্জন কে আরবীতে فئ শব্দের মাধ্যমে ব্যক্ত করা হয়েছে।
আর আরবী অভিধানে “গণিমত” বলে অভিহিত করা হয় সে সব মাল-সম্পদ কে যা শত্রুর কাছ থেকে অর্জিত হয়।
ইসলামী শরিয়তের পরিভাষায় অমুসলমানদের নিকট থেকে যুদ্ধ-বিগ্রহে বিজয়ার্জনের মাধ্যমে যে মালামাল অর্জিত হয় তাকেই “গনিমত” বলে আখ্যায়িত করা হয়। আর যে সব ধন-সম্পদ আপোষ, সন্ধি-সম্মতির মাধ্যমে লাভ করা হয়, যেমন যিজিয়া-কর, টেক্স প্রভৃতি তাকে অভিহিত করা হয় فئ বলে।
সহীহ বুখারী শরীফে রয়েছে- রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- أحلت لي الغنائم ولم تحل لأحد قبلي
অর্থাৎ আমি নবীর জন্য গনিমতের মাল কে হালাল করা হয়েছে। আমার পূর্ববর্তী কোন নবী-রাসূল কিংবা উম্মতের জন্য গণিমতের মাল হালাল ছিলনা। একমাত্র রাসূলে খোদা আশরাফে আম্বিয়া মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের উছিলায় উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য গনিমতের মাল কে হালাল করা হয়েছে।
আলোচ্য ৭নম্বর আয়াতের মর্মবাণীর আলোকে প্রতিভাত হয় যে, فئ তথা বিনা যুদ্ধে অর্জিত সম্পদ বন্টিত হবে পাঁচ হকদারের মধ্যে। (এক) আল্লাহ-রাসূলের জন্য-যা রাষ্ট্রীয় কোষাগার বায়তুল মালে সঞ্চিত হবে। (দুই) রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের নিকটাত্মীয় বনু হাশেম ও বনু মুত্তালিবের জন্য (তিন) ইয়াতীম-অনাথদের জন্য (চার) মিসকিন-অভাবগ্রস্থদের জন্য। (পাঁচ) মুসাফিরদের জন্য।
আর গনিমতের মাল পাঁচ ভাগে বিভক্ত হবে। চার ভাগ মুজাহেদীনে ইসলামের জন্য। এবং পঞ্চমাংশ আল্লাহ-রাসূল, তাঁর নিকটাত্মীয়, ইয়াতীম-অনাথ, অভাবগ্রস্তজন এবং মুসাফিরদের জন্য বন্টিত হবে।
وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ وَمَا نَهَاكُمْ عَنْهُ فَانتَهُوا
আল্লাহর পবিত্র বাণী ‘রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লামের তোমাদেরকে যা কিছু দান করেন তা তোমরা গ্রহণ কর আর যা কিছু নিষেধ করেন তোমরা তা হতে বিরত থাক।’ এর ব্যাখ্যায় মুফাসসেরীনে কেরাম উল্লেখ করেছেন- আয়াতে উল্লেখিত ما পদটি হলো ما عامة অর্থাৎ ব্যাপক অর্থবোধক। সুতরাং আয়াতের ভাষ্য শুধু ধন-সম্পদের সাথে বিশেষভাবে সম্পর্কযুক্ত নয়, বরং শরিয়তের বিধি-বিধান ও এতে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। তাই আয়াতের মর্ম হবে এই যে, যে কোন আদেশ-নির্দেশ, অথবা ধন-সম্পদ অথবা অন্য কোন বস্তু এককথায় দ্বীন-ঈমান, কুরআন-হাদীসসহ দুনিয়া-আখিরাতের যে কোন অনুগ্রহরাজি তিনি তোমাদেরকে দান করবেন সন্তুষ্টচিত্তে তোমরা তা গ্রহণ কর এবং তদনুযায়ী করো। পক্ষান্তরে যে বিষয়ে তিনি নিষেধ করবেন তা হতে বিরত থাক।
হযরাতে ছাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম আয়াতের এই ব্যাপক অর্থ অবলম্বন করে রাসূলে আকরাম নূরে মুজাস্সাম ছাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম এর প্রত্যেক আদেশ-নির্দেশ কে কুরআনের আদেশ-নির্দেশের অনুরূপ অবশ্য পালনীয় সাব্যস্থ করেছেন। ইমাম কুরতুবী রহমাতুল্লাহি আলায়হি বলেন-আয়াতেاتى শব্দের বিপরীতে نهي শব্দ ব্যবহার করায় বোধগম্য হয় যে, এখানে اتى শব্দের অর্থ امرঅর্থাৎ যা আদেশ করেন। কারণ এটাই نهي শব্দের বিশুদ্ধ বিপরীত শব্দ। তবে কুরআনে করীম এর পরিবর্তে اتى শব্দ এ জন্য ব্যবহার করেছে যাতে فئ এর মাল বন্টন أحلت لي الغنائم ولم تحل لأحد قبلي সম্পর্কিত বিষয়বস্তু এতে শামিল থাকে।
সাইয়্যেদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু জনৈক ব্যক্তিকে এহরাম অবস্থায় সেলাই করা কাপড় পরিধান করতে দেখে তা খুলে ফেলতে আদেশ করেন। লোকটি বলল- আপনি এ প্রসঙ্গে কুরআনের কোন আয়াত বলতে পারবেন কি যাতে সেলাই করা কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি বললেন- হ্যাঁ, এ সম্পর্কে আয়াত আছে। অতঃপর তিনি আলোচ্য আয়াত وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ فَخُذُوهُ পাঠ করে দিলেন। হযরত ইমাম শাফেয়ী রহমাতুল্লাহি আলায়হি একবার উপস্থিত লোকজনকে বললেনঃ আমি তোমাদের প্রত্যেক প্রশ্নের জবাব কুরআন থেকে দিতে পারি। জিজ্ঞেস কর, যা জিজ্ঞাসা করতে চাও। এক ব্যক্তি আরজ করলঃ এক ব্যক্তি এহরাম অবস্থায় প্রজাপতি মেরে ফেলল, এর বিধান কি? ইমাম শাফেয়ী এই আয়াত তেলাওয়াত করে হাদীছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম থেকে এর বিধান বর্ননা করে দিলেন। [তাফসীরে কুরতুবী] আল্লাহর বাণী وَمَا آتَاكُمُ الرَّسُولُ ُ এর মর্মবাণীর আলোকে প্রমাণিত হয় রাসূলে খোদা আশরাফে আম্বিয়া আহমদ মুজতবা মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম শরীয়তের প্রবর্তন, পরিবর্তন-পরিমার্জন, হালাল-হারাম নির্ণয়করণ, উম্মতের জন্য পবিত্র ও কল্যানকর বিষয়াবলী বৈধ করন ও অপবিত্র-অকল্যাণকর বস্তু সামগ্রী নিষিদ্ধ করণসহ উম্মতের সকল প্রকার প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য আল্লাহর অনুগ্রহক্রমে ইখতিয়ার- কর্তৃত্বপ্রাপ্ত পরম প্রিয়তম দাতা। আর দাতা হওয়ার জন্য মালিক হওয়া পূর্ব শর্ত ও অত্যাবশ্যক। সুতরাং কুরআনের আলোকে প্রমাণিত হয় আল্লাহর হাবীব সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম খোদায়ী দান-অনুদান-অনুগ্রহ রাজির মালিক। এ বিষয়কে অন্য আয়াতে কুরআন আরো স্পষ্ট করে সাব্যস্ত করে। যেমন- নবীর শানে এরশাদ হয়েছেإِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ অর্থাৎ ওহে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম! অবশ্যই আমি আল্লাহ আপনাকে কাওছার দান করেছি। ‘কাউছার’-এর অনেক তাফসির রয়েছে। তন্মধ্যে কাওছার এর এক ব্যাখ্যা হলো ما سواء الله অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতিত অন্যান্য সবকিছ্।ু আর এ ব্যাখ্যা অন্যান্য সকল ব্যাখ্যাকে অন্তর্ভূক্ত করে। সুতরাং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ প্রদত্ত মালিকানা ও কর্তৃত্ব বলে সকল সৃষ্টির উপর কর্তৃত্বশীল, মালিক ও মুখতার। এ জন্যই রাসূলে খোদা সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম- এর ইঙ্গিতে অস্তমিত সূর্য পূণরায় উদিত হয়েছে। আকাশের চাঁদ দ্বিখন্ডিত হয়েছে। এ সবই তাঁর সৃষ্টিকুলের উপর সর্বময় কর্তৃত্বের নিদর্শন ও বহিঃপ্রকাশ। অথচ দেওবন্দী-মওদুদী পন্থিরা বলে বেড়ায়- মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম কোন কিছুর মালিক ও মুখতার নন। তিনি পরের কল্যাণতো দূরের কথা নিজের কল্যাণ করতে ও অক্ষম (নাউজুবিল্লাহ)। যিনি রহমাতুল্লিল আলামীন সর্বময় কল্যাণ, মঙ্গলের মূর্তপ্রতীক তাঁর শানে এহেন ধৃষ্টতাপূর্ণ কুফরী মন্তব্য কোন মুসলমান করতে পারেনা। আল্লাহ সকলকে হেফাজত ও হেদায়ত নসীব করুন, আমীন।
লেখক: অধ্যক্ষ-কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া কামিল মাদরাসা, মুহাম্মদপুর এফ ব্লক, ঢাকা।