আশুরার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

0

আশুরার তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ-
এ. কে. এম. ফজলুর রহমান মুনশী>
আশুরা একটি গুণবাচক নাম, একটি আখ্যান, একটি ইতিহাস। এই ইতিহাসের ধারাবাহিকতা প্রাগৈতিহাসিক কাল হতে অদ্য পর্যন্ত চলে আসছে এবং রোজ কেয়ামত পর্যন্ত চলতেই থাকবে। এর কোনো ব্যতিক্রম হবে না। আশুরা শব্দটি আরবি সাতটি বর্ণে গঠিত। যথা- (১) আইন, (২) আলিফ, (৩) শিন, (৪) ওয়াও, (৫) রা, (৬) আলিফ এবং (৭) হামজা। এই শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে আশারা (আইন, শিন, রা) বর্ণত্রয় হতে। এর অর্থ হচ্ছে ‘দশ’। এই দশের সাথে এক হতে দশ পর্যন্ত সকল সংখ্যারই সংমিশ্রণ রয়েছে। আশারা হতে উদ্গত ‘আশুরা’ শব্দটি গুণবাচক বিশেষণের অর্থকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে এবং একক নির্দিষ্ট সংখ্যার গুরুত্ব প্রদান করে। এতদর্থে আরবি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মুহররমের দশম দিবসকে ‘আশুরা’ নামে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্টভাবে এ নামেই দিবসটি হাদীস শরীফে উল্লেখ করা হয়েছে। কোরআনুল কারীমে গুণবাচক আশুরা শব্দটি নেই। তবে শব্দ মূল আশারা, আশারাতুনের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।
আশুরার উল্লেখ ১০ মুহররম অর্থে সুপ্রাচীনকাল হতে চলে আসছে। (01. Moharram সংখ্যা ডাউনলোড করুন)
অনেক ইসলামী অনুষ্ঠান ও রীতি প্রাচীন আরবদের বিশেষত হজরত আদম আলায়হিস্ সালাম ও হজরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালাম-এর বংশধরদের মধ্যে তাদের নির্দেশক্রমে প্রবর্তিত হয়েছিল। হাদীস সংকলনগুলোর ‘সাওমু আশুরা’ শীর্ষক অধ্যায়গুলো গভীর মনোযোগসহ পাঠ করলে এগুলোর উল্লেখ ও সুস্পষ্ট ইঙ্গিত সহজেই লাভ করা যায়। প্রাচীন আরবগণ হজরত মুসা আলায়হিস্ সালাম-এর আগমনের পূর্বেও রোজা রাখত। হজরত আদম আলায়হিস্ সালাম এ দিবসে রোজা রেখেছিলেন বলে জানা যায়। মক্কায় আশুরার দিনে কাবাগৃহের দ্বার দর্শকদের জন্য খুলে দেয়ার ব্যবস্থা করা হতো। সে দিন কাবা প্রাঙ্গণে লোক সমাগমও অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশি হতো। বর্তমান কালেও এ ধারার কিছুটা রেশ লক্ষ্য করা যায়। যদিও সময়ের পরিবর্তনে অনেক কিছুই পরিবর্তিত হয়ে গেছে। কিন্তু আশুরা স্বমহিমায় চিরভাস্বর হয়ে রয়েছে তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।
পবিত্র মুহররম মাসের ৩০টি দিনে বিশ্ব ইতিহাসে এমন সব ঘটনার অবতারণা ঘটেছে যার প্রতি দৃষ্টি নিক্ষেপ করলে অবাক বিস্ময়ে হতবাক না হয়ে পারা যায় না। কেননা, এ মাসের প্রথম তারিখটি বছরের প্রারম্ভ বলে স্বীকৃত। ৯ ও ১০ তারিখে রোজা রাখার কথা হাদিস শরীফে ঘোষিত হয়েছে। ১০ তারিখে আশুরা বা কারবালাবার্ষিকী পালিত হয়। এ তারিখে হজরত ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু কারবালা প্রান্তরে শাহাদাত বরণ করেন। এ মাসের ১৬ তারিখে বাইতুল মুকাদ্দাসকে কিবলা মনোনয়ন করা হয়েছিল। এ মাসের ১৭ তারিখ আবরাহার হস্তিবাহিনী মক্কার উপকণ্ঠে ছাউনি গেড়েছিল। বিশেষ করে আশুরার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যবহ। হজরত মুসা আলায়হিস্ সালাম এ দিনে তাওরাত কিতাব লাভ করেছিলেন এবং অভিশপ্ত ফেরাউন স্বীয় দলবলসহ সাগরবক্ষে ধ্বংস হয়েছিল। হজরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালাম পাপিষ্ঠ নমরূদের অনলকুণ্ড হতে নিষ্কৃতি লাভ করেছিলেন এ দিনে। হজরত ইউসুফ আলায়হিস্ সালাম অন্ধকার কূপ হতে এ দিনে উদ্ধার লাভ করেছিলেন। হজরত ঈসা আলায়হিস্ সালামকে আল্লাহপাক চতুর্থ আসমানে উঠিয়ে নিয়েছিলেন এ দিনে। হজরত আইয়ুব আলায়হিস্ সালাম-এর আরোগ্য লাভের দিনটি ছিল আশুরার দিন। এ দিনে হজরত ইউনুছ আলায়হিস্ সালাম মাছের পেট হতে মুক্তি লাভ করেছিলেন। এ দিনই হজরত ইদ্রিস আলায়হিস্ সালাম সশরীরে জান্নাতে প্রবেশ করেছিলেন আবার আশুরার দিন শুক্রবারেই কেয়ামত সংঘটিত হবে। এতসব ঘটনার চিত্র যে মাসটি স্বীয় বুকে ধারণ করে আছে এর গুরুত্ব ও মাহাত্ম্য যে অপরিসীম তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কালের খাতা ও ইতিহাসের পাতার স্বর্ণোজ্জ্বল স্বাক্ষর লক্ষ্য করা যায় হাদীস সংকলনগুলোর মধ্যে। হাদীসের বর্ণনায় দেখা যায়, হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম হিজরত করে মদীনায় আগমন করার পর মদীনার ইহুদিদের নিকট হতে জানতে পারলেন যে, এই আশুরার দিন হজরত মুসা আলায়হিস্ সালাম ফিরআউনের বন্দিদশা হতে ইসরাইল সন্তানদের উদ্ধার করেছিলেন এবং ফেরাউন সসৈন্যে ডুবে মরেছিল। সেই কারণে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ হজরত মুসা আলায়হিস্ সালাম এ দিনে রোজা পালন করেছিলেন এবং একই কারণে ইহুদিরা আশুরার রোজা রাখে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘তোমাদের অপেক্ষা হজরত মুসা আলায়হিস্ সালাম-এর সাথে আমাদের সম্পর্ক অগ্রাধিকারমূলক এবং নিকটতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম তখন হতে নিজে আশুরার রোজা রাখলেন এবং উম্মতকে এ দিনে রোজা পালনের নির্দেশ দিলেন। [মিশকাত বাবু সিয়ামুত তাতাব্বুয়ি]
হাদীস শরীফে এতদসংক্রান্ত আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা পাওয়া যায়। যথা (১) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু-কে আশুরার রোজা পালনের উৎসাহ এবং আদেশ দান করতেন। (২) কতিপয় সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, ইহুদি ও খ্রিস্টানগণ আশুরাকে বড় মনে করে (আমরা কেন এ দিনটিকে গুরুত্ব প্রদান করব?) উত্তরে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বললেন, আগামী বৎসর পর্যন্ত আমি বেঁচে থাকলে মুহররমের নবম দিবসেও রোজা রাখব। (৩) মাহে রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার পর হতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম সাহাবিগণকে আর আশুরার রোজার আদেশ করতেন না। নিষেধও করতেন না। (৪) তবে তিনি নিজে রমজানের রোজার অনুরূপ গুরুত্ব সহকারে বরাবর আশুরার রোজা পালন করতেন। (৫) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এ কথাও বলেছেন যে, রমজানের রোজার পর সর্বাপেক্ষা আফজল হচ্ছে মুহররমের দশ তারিখের রোজা। [মিশকাত : অধ্যায় ঐ]
আশুরার দিনে অনুষ্ঠিত ঘটনাবলীর দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকালে দেখা যায়, এ দিনটি আল্লাহ ও রাসূলে বিশ্বাসী বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ বিজয়ের দিন। দেখা যায়, হজরত মূসা আলায়হিস্ সালাম-এর সাফল্যে শাশ্বত ইসলামের বিজয় সূচিত হয়েছিল এবং একইভাবে হজরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালাম অবিশ্বাসী নমরূদের ওপর বিজয় লাভ করেছিলেন। অনুরূপভাবে হিজরী ৬১ সালে কারবালার মাঠেও ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু-এর আত্মত্যাগ কপটাচারী ইয়াজিদের ওপর বিজয় লাভে সমর্থ হয়েছিল। কবি জওহর প্রকৃতই বলেছেন : কতলে হুসাইন আছলমে মরগে ইয়াজিদ হায় ইছলাম জিন্দা হোতা হায় হার কারবালাকে বাদ।
প্রকৃতপক্ষে জয় আল্লাহর দান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ বান্দাহর অবশ্য কর্তব্য। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সকল নবীতে সমভাবে বিশ্বাসী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর উম্মত এই দিনটিকে মর্যাদাপূর্ণ মনে করেন। চরম বিষাদপূর্ণ হলেও সত্যের পতাকাবাহী হজরত ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু-এর কারবালা প্রান্তরে এই অপূর্ব আত্মত্যাগ ইসলামের ইতিহাসে আশুরাকে আরও গাম্ভীর্যপূর্ণ করে তুলেছে। কথায় বলে, ‘বেদনার শতদলে স্মৃতির সুরভী জ্বলে।’ প্রতি বছরে আশুরা যেন সে কথাটিই মুমিন মুসলমানদের স্মরণ করিয়ে দেয় এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাদের অনুপ্রাণিত করে।
আশুরার দিনে রোজা রাখা অন্যতম ইবাদত। যদিও কেউ কেউ এই রোজাকে ওয়াজিব মনে করে বলে জানা যায়, প্রকৃত পক্ষে এটি নফল। রমজান মাসের রোজা ফরজ হওয়ার পর আশুরার রোজা নফল হয়ে গেছে। এ দিনের বৈশিষ্ট্যের প্রতি খেয়াল রেখে নফল রোজা পালন করা প্রকৃতই পুণ্যের কাজ এবং নফসে আম্মারার ওপর বিজয় লাভের প্রকৃষ্ট উপায়।
বস্তুত, শাহাদাতে ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু এমন একটি ইতিহাস, এমন একটি চেতনা- যা হক ও বাতিলের নির্ণয়কারী। ‘দুনিয়ার ইতিহাসে ন্যায়-ইনসাফকে প্রতিষ্ঠিত করা, অন্যায়, জুলুম, নির্যাতন, স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য যারাই নিজের জান ও মাল দিয়ে সত্যের সাক্ষ্য হিসেবে কালোত্তীর্ণ অমর ব্যক্তিত্বসম সত্যান্বেষীদের মন-মগজে বিরাট স্থানজুড়ে আছেন, যাদের আল্লাহু আকবার ধ্বনিতে যুগে যুগে কুফর, শিরক তথা আগুন-শয়তানের মসনদ জ্বলে-পুড়ে ভস্মীভূত হচ্ছে এবং হবে, হজরত ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু-এর স্থান তাদের শীর্ষে রয়েছে এবং থাকবে এর কোনো ব্যত্যয় হবে না। ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু কেয়ামত পর্যন্ত বাতিলের বিরুদ্ধে সত্যের সকল যুদ্ধের সেরা ইমাম, সেনাপতি বা অপ্রতিদ্বন্দ্বী নেতা।’
গভীর দৃষ্টিতে তাকালে হুসাইন নাম মোবারকের মাঝেই রয়েছে এ নিদর্শনের সুগভীর তাৎপর্য। আরবি হুসাইন শব্দটি চারটি বর্ণে গঠিত। (ক) হা, (খ), ছীন, (গ) ইয়া এবং (ঙ) নুন। হা বর্ণের দ্বারা মুরাদ হলো হুসন সুন্দর, মনোহর, চিত্তাকর্ষক, আকর্ষণীয়, দৃষ্টিনন্দন, শ্রুতিমধুর, বাহ্যিক ও আত্মিক অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। ছিন বর্ণ দ্বারা মুরাদ হলো সাআদাত, সৌভাগ্য, নেতৃত্ব ও দৃঢ়চিত্ততা। আর ‘ইয়া’ বর্ণের দ্বারা মুরাদ হলো ইয়াকীন, দৃঢ়বিশ্বাস ও দুর্জয় মনোবৃত্তি। আর ‘নুন’ বর্ণের দ্বারা মুরাদ হলো নুর, আলো বা জ্যোতি।
মোটকথা, হজরত ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু ছিলেন এমন সত্তা, এমন ব্যক্তিত্ব যিনি জাগতিক, আত্মিক, মানসিক সকল প্রকার সৌন্দর্যের প্রতীক, সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির পথনির্দেশক, দৃঢ় প্রত্যয়ীর সর্বশ্রেষ্ঠ নমুনা, সত্যের জন্য আপসহীনতার মূর্ত প্রতীক, আর সকল যুগের সকল মানুষের জন্য নূর বা আলোকবর্তিকা এবং পরকালে জান্নাতি যুবকদের নেতা ও সর্দার। হাদীসের ভাষায় বলা হয়েছে : “হোসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু হেদায়েতের আলোকবর্তিকা এবং মুক্তি ও নাজাতের তরণী।”
এ জন্য হোসাইন নাম মোবারকের এতই সম্মান এবং মর্যাদা। কেননা, এ নাম মানুষের দেয়া নয়। এ নামও মহান আল্লাহ পাক প্রদান করেছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লামা নাসাফী (রহ.) বলেন : “হোসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু জন্মগ্রহণ করার পর হজরত জিব্রাঈল আলায়হিস্ সালাম আগমন করে বললেন : হে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম। আল্লাহ তায়ালা এ নবজাত শিশুর জন্মে আপনাকে অভিবাদন ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন এবং বলেছেন, হজরত হারুন আলায়হিস্ সালাম-এর ছেলের নামে তার নাম রাখতে। তার ছেলের নাম সাব্বির, যার আরবী অর্থ হয় হুসাইন।[নুজহাতুল মাজালিস পৃ, ২২৯]
প্রকৃতই ইমাম হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু ছিলেন রাসূলে আকরাম নূরে মুজাচ্ছাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর আহলে বাইতের অন্যতম স্তম্ভ। যার শাহাদাতের মাধ্যমে উম্মতে মোহাম্মাদীয়ার নাজাত ও মুক্তির পথকে মহান রাব্বুল আলামীন সুপ্রশস্ত করেছেন। [ফতহুল কাদীর : ৪র্থ খ. পৃ. ২৭৯]
তাই যুগ ও কালের বিবর্তনে যখনই আশুরা মুসলিম মিল্লাতের সামনে এসে হাজির হবে, তখনই অলখ্যে ঘোষিত হতে থাকবে সত্য ও ন্যায়ের মর্মবাণী এবং মুক্তি, নিষ্কৃতি ও বিজয় লাভের খোস খবরী। এটাই হচ্ছে আশুরার অন্তর-সেচা ঝর্ণাধারা।
লেখক : গবেষক, সাংবাদিক।