সন্তানের অধিকার সংরক্ষণে ইসলামের নির্দেশনা

0

সন্তানের অধিকার সংরক্ষণে ইসলামের নির্দেশনা

অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভি

اخوج الديلمى عن على رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ادّبوا  اولادكم على ثلاث خصالٍ حبّ نبيكم وحبّ اهل بيته وتلاوة القران فانّ  حملة القران فى ظلّ الله يوم لاظلّ  اِلَّا ظلّه مع  انبيائه واصفيائه – (رواه الطبرانى)

অনুবাদ: হযরত ইমাম দায়লামী হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে তিনিট বিষয়ে শিষ্টাচারিতা শিক্ষা দাও। ১. তোমাদের নবীর প্রতি ভালোবাসা, ২. তাঁর আহলে বায়ত তথা পরিবারবর্গের প্রতি ভালবাসা, ৩. ক্বোরআন তিলাওয়াত শিক্ষা দাও। কেননা ক্বোরআন বহনকারী কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের ছায়ার নীচে তাঁর নবীগণ এবং পূণ্যাত্মবান্দাদের সাথে থাকবে যেদিন তাঁর আরশের ছায়া ব্যতীত আর কোন ছায়া থাকবে না। [তাবরানী শরীফ]

প্রাসঙ্গিক আলোচনা
ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান, এতে একজন মানুষের জীবনকে সুন্দর পবিত্র ও উন্নত আদর্শের আলোকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কল্যাণকর নির্দেশনা রয়েছে। শিশু সন্তান আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আমাদের শিশু সন্তানরা আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। আদর্শবান, চরিত্রবান সন্তানরা দেশ ও জাতির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। ইসলাম তাদের নৈতিক শিক্ষার সুদৃঢ় ভিত্তিস্থাপনে পিতা-মাতার প্রতি গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছে। বর্ণিত হাদীস শরীফে তাদেরকে উত্তম চারিত্রিক শিক্ষা ও আদর্শ ভিত্তিক সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পিতা-মাতার দায়িত্ব কর্তব্য ও ভূমিকা আলোকপাত করা হয়েছে। ইসলামই একমাত্র সর্বকালের সর্বযুগের ও সর্বোত্তম ধর্ম। যে পবিত্র ধর্মে শিশু সন্তানদের প্রতিটি অধিকার সংরক্ষণে অকৃত্রিম নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
নবীজির প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসার নামই ঈমান। নবীজির প্রতি যার ভালবাসা নেই তাঁর ঈমান নেই। বাল্যকাল থেকেই শিশু সন্তানের অন্তরে নবীজির প্রতি মহব্বত, ভালবাসা, নবীজির সুমহান শান-মান ও মর্যাদার কথা শিশু সন্তানকে শিক্ষা দেওয়া পিতা-মাতার অন্যতম কর্তব্য। নবীজির জীবনাদর্শ অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় মডেল হিসেবে সন্তানদের প্রাক-প্রাকমিক পর্যায়ে শিক্ষা দিলে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে সন্তানের জীবন গড়ে উঠবে। নবীজির পবিত্র বংশধরগণ তথা আওলাদে রসূলদের প্রতি ভালবাসা শিক্ষা দেয়া পিতা-মাতার দায়িত্ব। হাদীস শরীফে প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন- النجوم امان لاهل السماء واهل بيتى امان لامتى (المعجم الكبير) অর্থাৎ- তারকারাজি হচ্ছে আসমানবাসীদের জন্য নিরাপত্তার প্রতীক- আর আমার পরিবারবর্গ (আহলে বায়ত হচ্ছে) আমার উম্মতের নিরাপত্তা। [আল মুজামুল কবীর ……: হাদীস নং-৬২৬০] ক্বোরআন তিলাওয়াত শিক্ষা দেওয়া উত্তম ইবাদত। সন্তানের কলবে ক্বোরআনের মহব্বত-ভালবাসা  জাগ্রত করা, সন্তানকে ক্বোরআনী শিক্ষা তথা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করা, ক্বোরআনের শিক্ষায় পরিবারকে আলোকিত করা সন্তানের অধিকার, পিতা-মাতার দায়িত্ব। হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে-
عن ابو امامة الباهلى قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اقرءوا  القران فانه يأتى يوم القيامة شفيعًا لاصحابه (القرطبى)
হযরত আবু উমামা বাহেলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, তোমরা ক্বোরআন পাঠ করো। কারণ ক্বোরআন কিয়ামতের দিন তিলাওয়াতকারীদেরকে সুপারিশ করবে। [তাফসীরে কুরতুবী-৪/৩]

বান্দার জন্য সন্তান পরীক্ষা স্বরূপ
শিশু সন্তানরা আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার জন্য নিয়ামত ও পরীক্ষা স্বরূপ। শিশু সন্তানরা ইহকাল পরকালে নয়ন জুড়ানো সৃষ্টি। আত্মার প্রশান্তি, হৃদয়ের প্রফুল্লতা পার্থিব জীবনে দুঃখ কষ্টের সহযোগী। তাদের উত্তম প্রতিপালন পরিচর্যা, সুন্দর পরিবেশ, সুশিক্ষা খাদ্য-সুচিকিৎসা তাদের প্রতি দয়া ¯েœহ, সদয় ব্যবহার, উত্তম আচরণ, দৈনিক সুস্থতা, নিরাপত্তা, সুস্থ আনন্দ বিনোদন, খেলাধুলার গুরুত্ব তাদের প্রতি সযতœ তত্বাবধান নিশ্চিত করা হলে আজকের শিশুরা পরিবার, দেশ, জাতি, মিল্লাত, মাযহাবের জন্য সম্পদে পরিণত হবে।
পবিত্র ক্বোরআনের বর্ণনায় শিশুরা জীবনের সৌন্দর্য আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেছেন- المال والبنون زينة الحياة الدينًا (سورة الكهف ايت ৪৬)
সম্পদ ও সন্তান হচ্ছে পার্থিব জীবনের সৌন্দর্য বিশেষ।  [সূরা কাহফ: ৪৬]

বেঁচে থাকা শিশুর অধিকার, শিশু হত্যা নিষিদ্ধ
জাহেলী যুগে অসভ্য জনগোষ্ঠী কর্তৃক শিশু সন্তানকে জীবন্ত হত্যা করে কবরস্থ করা হতো। শিশু সন্তানের প্রতি অমানবিক আচরণ করা হতো। বর্তমান সময়েও মানুষরূপী এক শ্রেণির পশুরা শিশুর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ, শিশু নির্যাতন, খুন, শিশু অপহরণ ইত্যাদি গর্হিত আচরণ করে শিশু সন্তানের স্বাভাবিক জীবন যাত্রা হুমকির সম্মুখীন করে তুলেছে। ইসলাম শিশুর বেঁচে থাকার অধিকার সুপ্রতিষ্ঠত করেছে। চরম দারিদ্রের ক্রান্তিকালে ও শিশু হত্যাকে জগন্যতম অপরাধ ও মহাপাপ হিসেবে ঘোষণা করেছে। পবিত্র ক্বোরআনে আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেছেন- ولا تقتلوا اولادكم حشية املاق نحن نرزقهم وايّاكم اِنّ قتلهم كان خطئًا كبيرا (سورة نبى اسرائيل ১৭-৩১)  ‘‘তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে দারিদ্রের ভয়ে হত্যা করো না। তাদেরকে আমিই রিযিক দিই এবং তোমাদের কেও তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ।
[সূরা বনী ইসরাঈল: ১৭-৩১]

সন্তান জন্মের পর আজান ইকামত দেওয়া
শিশু সন্তান জন্মগ্রহণের পর আজানের সুমধুর ধ্বনি তার দুকানে পৌঁছানো শিশুর অধিকার। পৃথিবীতে শুভাগমনের পর আল্লাহর একত্ববাদ ও নবীজির রিসালতের পবিত্র বাণী তার ‘দু’কানে পৌঁছে দিয়ে সর্বপ্রথম ইসলামের পয়গাম ও দাওয়াতী আহ্বানের বার্তার মাধ্যমে জীবনের সূচনা করা হয়। এটাই আজান ইকামতের হিকমত ও তাৎপর্য। হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে-
عن الحسين بن على رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم من ولد له مولود فاذّن فِى اذنه اليمنى واقام فى اذنه اليسرى لم تضرة  ام الصبيان (مسند ابويعلى رقم الحديث – ৬৭৮০ )
হযরত হোসাইন বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, যার সন্তান জন্ম নেবে তার ডান কানে আজান দিবে এবং বাম কানে ইকামত দেবে। এতে শিশুরোগ তার কোন ক্ষতি করতে পারবে না।
[আবু ইয়ালা আল মুসনাদ: হাদীস নম্বর ৬৭৮০]

আকীকা শিশুর অধিকার
নবজাতক শিশুর জন্মের সপ্তম দিনে বা চতুর্দশ দিবসে অথবা একুশতম দিনে সন্তান জন্মের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ আকীকার পশু যবেহ করা সুন্নাত। হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে-
عن سمرة بن جندب رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الغلام مرتهن بعقيقته يذبّح عند يوم السابع ويسمّى ويخلق رأسه (رواه الترمذى جلد ১ صفحه ১৭৩)
হযরত সামুরা বিন জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, ‘‘নবজাতক নিজ আকীকার সাথে বন্ধক থাকে। তার জন্মের সপ্তম দিন একটি আকীকার পশু যবেহ করবে। শিশুর নাম রাখবে তার মাথা মুন্ডন করবে। [তিরমিযী শরীফ: ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা ১৭৩] ছেলে সন্তান হলে দুটি ছাগল মেয়ে হলে একটি ছাগল আকীকা করতে হবে। আকীকার বহুবিধ উপকারিতা রয়েছে- আকীকার দ্বারা সন্তানের বালা-মুসীবত দূরীভূত হয়। আকীকার কারণে শিশু রোগব্যাধি থেকে রক্ষা পায়।

ইসলামী নাম রাখা শিুশুর অধিকার
সন্তান জন্মের সপ্তম দিবসে পিতা-মাতার অন্যতম একটি বিশেষ কর্তব্য হলো- সন্তানের একটি সুন্দর অর্থবোধক ইসলামী নাম রাখা। সন্তানের জীবনে সুন্দর অর্থবোধক নামের একটা প্রভাব পড়ে। নাম রাখার বিষয়টি ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়েছে। অসংখ্য হাদীস শরীফে সুন্দর অর্থপূর্ণ নামের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে ব্যাপক বর্ণনা এসেছে। সুন্দর নাম রাখা শিশুর অধিকার। কিয়ামতের দিবসে। মানুষের নাম ধরে আহ্বান করা হবে। কারো নাম সংক্ষিপ্ত  করণ বা বিকৃতিকরণ উভয়টি গোনাহের কাজ। হাদীস শরীফে এরশাদ হয়েছে-
تسمّوا باسماء الانبياء واحب الاسماء الى الله عبد الله وعبد الرحمن (رواه الدارمى  رقم الحديث ২৬৯৭)
وقال صلى الله عليه وسلم انكم تدعون يوم القيامة باسمائكم واسماء ابائكم فاحسنوا اسماءكم- (مسند الفرودوس للديلمى- رقم ২৬৫)
অর্থ: তোমরা সম্মানিত নবীগণের নাম সমূহ দ্বারা নাম করণ করো। নাম সমূহের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলার নিকট ‘আবদুল্লাহ্’’ ও ‘‘আবদুর রহমান’’ পছন্দনীয় প্রিয়নাম। [আবু দাঊদ শরীফ: হাদীস নম্বর ৪৯৫০] প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম আরো এরশাদ করেছেন, ‘‘নিশ্চয় কিয়ামত দিবসে তোমাদেকে তোমাদের নাম ও তোমাদের পিতার নামে ডাকা হবে। তাই নিজের নামটি সুন্দর করে রেখো। [সুনানে আবু দাঊদ: হাদীস নম্বর ৪৯৪৮]

শিশুর বংশধারা সংরক্ষণ
শিশুর শিক্ষা দীক্ষা নিরাপত্তা বিধানে পিতা-মাতার অভিভাকত্বের দায়িত্ব পালনের অধিকার রয়েছে। নিজের বংশধারা পরিবর্তনকারীদের ব্যাপারে ইসলামে সতর্কবাণী উচ্চারণ করা হয়েছে, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি নিজের পিতাকে বাদ দিয়ে অন্যের ব্যাপারে পিতৃত্বের দাবী করে অথচ সে জানে যে তিনি তার পিতা নন। তার জন্য জান্নাত হারাম। [বোখারী শরীফ হাদীস নম্বর ৪০৭] দুঃখজনক হলেও সত্য যে আজকের যুগে অনেকে বংশগতভাবে সৈয়্যদ না হওয়ার পরও নিজেদের নামের পূর্বে সৈয়্যদ ব্যবহার করে আওলাদে রাসূল ইত্যাদি দাবী করে ভিত্তিহীন শাজরা রচনা করে বংশধারার সঠিক পরিচয় গোপন করে স্বঘোষিত সৈয়্যদ সেজে প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করা জাহান্নামীর লক্ষণ।

দুগ্ধপানের অধিকার
মায়ের দুগ্ধ পান শিশুর জন্মগত অধিকার। মহান আল্লাহ্ তা’আলা এরশাদ করেছেন-
والوالدات يرضعن اولادهن حولين كاملين لمن اراد ان يتم الرضاعة- (القران سورة البقرة ২৩৩)
আর মায়েরা তাদের সন্তানদেরকে পূর্ণ দু’বছর দুধ পান করাবে যদি তারা দুধ পানের সময়সীমা পূর্ণ করতে চায়।
[আল্ ক্বোরআন: সূরা বাক্বারা, আয়াত-২৩৩]

শিশুর খত্না করা সুন্নাত
পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের চামড়া কেটে ফেলাকে খত্না বলে এটা নবীগণের সুন্নাত। এরশাদ হয়েছে-
عن ابى ايوب انصارى رضى الله عنه اربع من سنن المرسلين الحتان والتعطر والسواك والنكاح (مسند احمد)
হযরত আবু আইউব আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, ‘‘চারটি বিষয় নবী-রাসূলগণের সুন্নাত। ১. খত্না করা, ২. সুগন্ধি ব্যবহার করা, ৩. মিসওয়াক করা এবং ৪. বিবাহ করা। [মসনদে আহমদ] ইসলামে খতনার বিধান বিজ্ঞান সম্মত। চিকিৎসকদের গবেষণা মতে খাত্না বিহীন পুরুষাঙ্গের ক্যান্সার সংক্রমিত হতে দেখা যায়। খতনা করলে বহু উপকারিতা রয়েছে।

শিশুদেরকে নামায শিক্ষা দেওয়া
ছোটকাল থেকেই শিশুদের অন্তরে নামাযের আগ্রহ সৃষ্টি করতে হবে। তাদেরকে নামায আদায়ে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে। এ প্রসঙ্গে নবীজি এরশাদ করেছেন-
عن عبد الله بن عمروا قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم مروا اولادكم بالصلوة وهم ابناء سبع سنين واضربواهم عليها وهم ابناء عشر(رواه ابوداؤد)
হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আমর রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তান সন্ততিদেরকে নামাযের আদেশ করবে। যখন তারা সাত বছর বয়সে পদার্পণ করবে। এবং নামাযের জন্য তাদেরকে শাসন করবে যখন তারা দশ বছর বয়সে পৌঁছবে। [আবু দাঊদ শরীফ]

শিশুদের হস্তলিপি, সাতার ও খেলাধুলার অধিকার
প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন, পিতার উপর সন্তানের অধিকার হলো তাকে হস্তলিপি শিক্ষা দেবে। সাঁতার ও তীর নিক্ষেপ শিক্ষা দেবে।  [বায়হাকী শরীফ] আল্লাহ্ আমাদেরকে শিশু সন্তানদের অধিকার প্রতিষ্ঠার তাওফিক দান করুন। আ-মী-ন।