নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম সকল সৃষ্টির মূল

0

নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম সকল সৃষ্টির মূল-
মাওলানা মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান হাবিবী >

মহান আলম আল্লাহ্ পাক সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা অসংখ্য মাখলুকাত সৃষ্টি করেছেন। সৃষ্টি জগতের মধ্যে মানব জাতিকে আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা ওই মানব ছুরতেই তাঁর প্রিয়তম মাহবূব সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন; যাঁর উসিলায় আসমান-জমিন, চন্দ্র-সূর্য, নদী-সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত, লৌহ-কলম, আরশ-কুরসী, ফেরেশতা, মানব-দানবসহ সবকিছু সৃষ্টি করেছেন; যাঁকে এক লক্ষ চব্বিশ হাজার মতান্তরে দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূলের সর্দার তথা নবীকূল স¤্রাট বানিয়েছেন। ইহকাল ও পরকালের পরিত্রাণের জন্য শফিউল মুজনেবীন উপাধিতে ভূষিত করেছেন।
তত্ত্বগতভাবে যে কোন বস্তুর একটা মূল থাকে। কেননা মূল থেকেই প্রতিটি বস্তু বিস্তার লাভ করবে। সৃষ্টি জগতের প্রতিটি স্তরে তার প্রমাণ ও সাক্ষ্য মিলে। অনুরূপভাবে সমুদয় সৃষ্টির মূলে রয়েছে হুযূর আকরাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর পবিত্র সত্ত্বা তথা নূর মোবারক। মহান এই সত্ত্বার পবিত্র নূরই সকল সৃষ্টি জগতের আদি বা মূল। স্বভাবতই মূলটা আগে তৈরি হয়। সেই হিসেবে রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর নূর মোবারককে সর্বাগ্রে সৃষ্টি করা হয়েছে। সৃষ্টি জগতের সূচনার পূর্বে মহান আল্লাহ্ এক গোপন রহস্য ছিলেন। অতঃপর আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন স্বীয় সত্ত্বাকে প্রচার করার মানসে জানে দো’আলম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর নূর মোবারক সৃজন করলেন। তিনিই সর্বপ্রথম আল্লাহ্ তা‘আলার দরবারে মস্তকাবনত হয়ে সাজদারত হয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে সুনানে ইবনে মাযাহ্ শরীফ থেকে একখানা হাদীস শরীফ পেশ করছি, হযরত কা’ব আহ্বার রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ্ পাক রাব্বুল আলামীন যখন সৃষ্টি জগত সৃজন করার ইচ্ছা করলেন তখন জমিনকে সম্প্রসারিত করলেন, আসমানকে উচুঁ করলেন এবং আপন নূর হতে একটি নূরকে নির্দেশ দিলেন, ‘তুমি মুহাম্মদ হয়ে যাও।’ অতএব ওই নূর স্তম্ভের ন্যায় উপরের দিকে উঠতে থাকল এবং মহত্বের পর্দা পর্যন্ত পৌঁছে সাজদাবনত হলো এবং বললো, ‘আলহামদুলিল্লাহ্!’। তখন আল্লাহ্ তা‘আলার পক্ষ থেকে এরশাদ হলো, এজন্যই তোমাকে সৃষ্টি করেছি আর তোমার নাম রেখেছি ‘মুহাম্মদ’। তোমার থেকেই সৃষ্টির কাজ শুরু করব এবং তোমাতেই রিসালাতের ধারা সমাপ্ত করবো।
অপর বর্ণনায় পাওয়া যায়, একদা হযরত জাবের রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু সৃষ্টি তত্ত্বের সূচনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, হে জাবের! মহান আল্লাহ্ সকল বস্তুর পূর্বে তাঁর নূর থেকে তোমার নবীর নূর মোবারক সৃষ্টি করেছেন। তখন আসমান, যমীন, লৌহ-কলম, মাটি-পানি, বাতাস, চন্দ্র-সূর্য, মানব-দানব, জ্বিন-ফেরেশতা বলতে কিছুই ছিল না। আ’লা হযরত আজিমুল বারকাত শাহ্ মাওলানা ইমাম আহমদ রযা খান ফাযেলে ব্রেলভী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বড় চমৎকারভাবে বলেন-
উয়হ্ জু না থা তো, কুছ্ না থা
উয়হ্ জু না হো, কুছ্ না হো।
জান হে উয়হ্ জাহান কি
জান হে তো জাহান হ্যায়।

অর্থাৎ তিনি যখন ছিলেন না, তখন কিছুই ছিল না। তিনি না হলে কিছুই হতো না। তিনি হলেন বিশ্ব জগতের প্রাণ। আর প্রাণ থাকলেই বিশ্ব জগৎ বাঁচবে।
সর্বাধিক হাদীস বর্ণনাকারী সাহাবী হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রহমতে দো’জাহাঁ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আমাকে ছয়টি বিষয়ে অন্যান্য নবীগণের উপর মর্যাদা দেয়া হয়েছে: আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম’ প্রাপ্ত হয়েছি। অর্থাৎ আমাকে অল্প কথায় ব্যাপক অর্থ ব্যক্ত করার যোগ্যতা দেয়া হয়েছে। রো’ব দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে। আমার জন্য গণীমতের মাল হালাল করা হয়েছে। সমগ্র যমীন আমার জন্য মসজিদ ও পবিত্রতার উপাদান দেয়া হয়েছে। সমগ্র সৃষ্টির জন্য আমাকে নবীরূপে প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমাকে দিয়েই নবী প্রেরণের ধারার পরিসমাপ্তি করা হয়েছে।
[সহীহ মুসলিম শরীফ] এ প্রসঙ্গে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাদীস শরীফ নি¤েœ পেশ করছি-
* হযরত ওমর ফারুক রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ ফরমান, হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম আল্লাহ্র দরবারে আরয করলেন, হে মা’বুদ! মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর ওসিলায় তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। আল্লাহ্ তা‘আলা বললেন, হে আদম! তুমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামকে কিভাবে চিনেছ? তিনি বললেন, হে আল্লাহ্! তুমি যখন আমাকে তোমার কুদরতের হাতে বানিয়ে আমার মধ্যে রূহ নিক্ষেপ করেছো, তখন আমি আমার মস্তক উত্তোলন করলে দেখতে পেলাম, আরশের চৌকাঠে ‘‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ্’’ কালেমাটি লিপিবদ্ধ। সে দিন আমি জ্ঞাত হলাম যে, তোমার নামের সাথে এমন একজন সত্ত্বার নাম মিলিত হয়েছে, যিনি সমগ্র সৃষ্টি জগতের মধ্যে তোমার কাছে সব চাইতে প্রিয়। আল্লাহ্ পাক বললেন, হে আদম! তুমি ঠিকই বলেছ, তিনি তো আমার কাছে সমগ্র সৃষ্টি জগতের চেয়ে অত্যধিক প্রিয়। তুমি আমার কাছে তাঁর ওসিলায় ক্ষমা প্রার্থনা করেছ, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম, যদি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম না হতেন তাহলে না তোমাকে সৃষ্টি করতাম, না তোমাকে ক্ষমা করতাম।
[বায়হাকী, তাবরানী, মুসতাদরাক লিল হাকেম] অন্য বর্ণনায় এসেছে, হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম বলেন, তাতে আমার বিশ্বাস হলো যে, তুমি যার নাম আপন নামে সাথে রেখেছ, নিশ্চয়ই তাঁর চেয়ে মহা সম্মানিত ও মর্যাদাবান তোমার কাছে আর কেউ নেই।
* হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে মাকবুল সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আমার সমীপে হযরত জিব্রাইল আলায়হিস্ সালাম হাজির হয়ে আরয করলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন, হে প্রিয়! আপনি যদি না হতেন তাহলে আমি না জান্নাত সৃষ্টি করতাম, না জাহান্নাম। অর্থাৎ হযরত আদম ও সমস্ত বিশ্ব ভূবন সকল কিছু আপনারই কারণে সৃষ্টি করেছি। আপনি না হলে কোন বাধ্য অবাধ্য কেউ হতো না। সুতরাং বাধ্যদের জন্য জান্নাত আর অবাধ্যদের জন্য জাহান্নাম সৃষ্টির প্রয়োজন পড়তো না, আর জান্নাতে তো বিশ্ব ভূবনের মধ্য হতে একটি অংশ বিশেষ। হে রাসূল! আপনি না হলে বিশ্ব জগৎ তো না, মানে জান্নাত জাহান্নাম হতো না। এগুলো আপনার অস্তিত্বের প্রতিবিম্ব মাত্র। [দায়লামী শরীফ] * হযরত আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী আকরাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, আল্লাহ্ পাক রাব্বুল আলামীন হযরত মুসা আলায়হিস্ সালামকে বললেন, হে মুসা! আপনি বনি ইসরাঈলকে অবগত করুন, যে ব্যক্তি আহমদকে অস্বীকার করবে, তাকে আমি দোযখে নিক্ষেপ করবো। হযরত মুসা আলায়হিস্ সালাম আরয করলেন, হে মা’বুদ! আহমদ কে? এরশাদ করলেন, তিনি এমন এক মহান সত্ত্বা, যাঁর চেয়ে অধিক মর্যাদাবান কাউকে আমি সৃষ্টি করিনি। আসমান-জমিন সৃষ্টির বহু পূর্বে তাঁর নাম আমার নামের সাথে আরশে লিখিত। যতক্ষণ না তিনি এবং তাঁর উম্মৎ বেহেশতে প্রবেশ করবেন, ততক্ষণ অন্য সকলের জন্য জান্নাতে প্রবেশ নিষিদ্ধ। হযরত মুসা আলায়হিস্ সালাম আরয করলেন, হে বারী তা‘আলা! তাঁর উম্মৎ কারা? এরশাদ করলেন, তাদের নাম হাম্মাদুন (অধিক অধিক প্রশংসাকারী), এদের আরো অনেক গুণাবলীর বর্ণনা পর হযরত মুসা আলায়হিস্ সালাম আরয করলেন, ‘‘হে মা’বুদ! আমাকে ওই নবীর উম্মতের অন্তর্ভুক্ত করো। এরশাদ হলো, হে মুসা! তুমি তাঁর পূর্বে, তিনি তোমার পরে পৃথিবীতে আগমন করবেন। তবে, তোমাকে এবং তাঁকে বেহেশতে একত্রিত করবো।[হোলিয়া শরীফ: কৃত আবু নাঈম] * হযরত আনাস বিন মালিক রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযূর পুরনূর সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন আমি আল্লাহ্ তা‘আলার নির্দেশ মোতাবেক সমগ্র আসমান ভ্রমন থেকে অবসর হলাম, তখন আল্লাহর সমীপে আরয করলাম, হে আমার রব! আমার পূর্বে যত নবী-রাসূল ছিলেন, সবাইকে আপনি বিভিন্ন ফযিলত দান করেছেন। হযরত ইব্রাহীমকে খলীল এবং হযরত মুসাকে কলীম করেছেন। আর হযরত দাউদের জন্য পাহাড়কে অনুগত, হযরত সোলাইমানের জন্য বাতাস ও শয়তানকে আজ্ঞাবহ করেছেন আর হযরত ঈসাকে মৃতকে জীবিত করার ক্ষমতা দিয়েছেন ইত্যাদি।
আমাকে কি দিয়েছেন? ইরশাদ করলেন, ‘আমি কি আপনাকে এদের সবার চেয়ে অধিক শ্রেষ্ঠত্ব দান করিনি? আমাকে স্মরণ করা হবে না, যতক্ষণ না আমার সাথে আপনাকে স্মরণ করা হবে। এ ছাড়া আরো অনেক শ্রেষ্ঠত্বের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। হযরত আবূ হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে আরো রয়েছে- আমি আপনাকে যা দিয়েছি তা ওই গুলোর চেয়ে আরো বহু উত্তম। আমি তো আপনাকে কাউসার দান করেছি, আপনার নামকে আমার নামের যিকির জারী রেখেছি। আপনি ছাড়া অন্য কারো ভাগ্যে শাফায়াতের দৌলত জোটেনি; কেননা শাফায়াতকে আপনার গোপন ভান্ডার রূপে রেখে দিয়েছি।
[বায়হাকী শরীফ ও দালায়েলুন নুবূয়্যাহ্] * একদা হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম আল্লাহর দরবারে আরয করলেন, হে আমার রব! তুমি কেন আমার উপনাম ‘আবু মুহাম্মদ’ রেখেছ? আল্লাহ্ তা‘আলা হুকুম করলেন, হে আদম! তোমার মস্তক উপরে উত্তোলন কর। হযরত আদম আলায়হিস্ সালাম মস্তক উঠালে দেখতে পেলেন, আরশের উম্মুক্ত পর্দায় মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর নূর মোবারক চমকাচ্ছে। আরয করলেন, হে আল্লাহ্! এ নূরের পরিচয় কি? আল্লাহ্ এরশাদ করেন, এ নূরটি তোমারই আওলাদের একজন নবীর নূর। তাঁর নাম আসমানে আহমদ, জমিনে মুহাম্মদ। যদি তিনি না হতেন, না আমি তোমাকে সৃষ্টি করতাম, না আসমান-জমিন সৃষ্টি করতাম। [আল মাওয়াহিবুল লাদুন্নিয়াহ্] * হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে আরবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, মি’রাজ রজনীতে আমার রব আমাকে তাঁর এত বেশি নিকটে নিয়ে গেলেন যে, তিনি এবং আমার মধ্যে যেন দু’ধনুক মধ্যবর্তী স্থান বরং এর চেয়ে আরো অধিক নিকটে। তারপর আমাকে বললেন, হে প্রিয় মুহাম্মদ! আমি আপনাকে সকল নবীর শেষে প্রেরণ করায় আপনি কি অসন্তুষ্ট? আমি আরয করলাম, না! আমার রব! আবার বললেন, আপনার উম্মতদের মনে দুঃখ আছে যে, আমি তাদেরকে সকল উম্মতের শেষে পাঠিয়েছি। আমি আরয করলাম, না! হে আমার রব। এবার আমার রব এরশাদ করলেন, হে আমার প্রিয় হাবীব! আপনি আপনার উম্মতদেরকে জানিয়ে দিন যে, আমি তাদেরকে সকল উম্মতের শেষে এজন্য প্রেরণ করেছি, যেন তারা অন্য উম্মতের সমীপে লজ্জিত না হয় বরং অন্যরা তাদের সামনে নিজেদের দেখে লজ্জাবোধ করে।
[ইবনে আসাকের] পরিশেষে, মুনিবের দরবারে শোকরিয়া জানাই, যে প্রিয়তম মাহবূব সরওয়ারে কায়েনাত জানে দো’আলম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর ওসিলায় আসমান-জমিন, মানব-দানব, ফেরেশতসহ সকল কিছু সৃজন করেছেন ওই নবীর উম্মৎ বানিয়ে আমাদেরকে সৌভাগ্যমন্ডিত করেছেন। আল্লাহ্ পাক আমাদের সকলকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবীজির পদাংক অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। আ-মী-ন।

লেখক: পরিচালক, গশ্চি তৈয়্যবিয়া রহমানিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, রাউজান, চট্টগ্রাম