রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ

0

রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ

রাঙামাটি প্রতিনিধি॥
সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ ঈদ-এ মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-উপলক্ষে রাঙামাটিতে তিন পার্বত্য জেলার সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার অনুষ্ঠেয় জুলুছের আয়োজন করেছে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ রাঙামাটি জেলা। রাঙামাটিতে অনুষ্ঠিত জশনে জুলুছ তিন পার্বত্য জেলার সবচেয়ে বড় জুলুছ বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বুধবার সকালে রাঙামাটি শহরের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা গাউছিয়া কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু সৈয়দ। এ সময় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুব এলাহী শিকদার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

রাঙামাটির জশনে জুলুছে প্রতি বছরই লোক সমাগম বাড়ছে উল্লেখ করে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আল্লাহর প্রিয় রাসুল হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এই ধরার বুকে ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল তারিখে মা আমেনার কোলে শুভ আগমন করেন। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর শুভাগমনে উম্মতে মুহাম্মদী খুশি উদযাপন করে আসছে সহ¯্র বছর ধরে। সাহাবায়ে কেরাম, আউলিয়ায়ে কেরামের ধারাবাহিকতার পূণ্যময় সেই কৃষ্টি-সংস্কৃতি এদেশে চালু করেছেন রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর ৪০তম আওলাদ আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহ রহমাতুল্লাহি আলায়হি। প্রিয় নবীজি সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর শুভ জন্মদিন অর্থাৎ ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইসলামী সংস্কৃতির অনন্য নির্দশন জশনে জুলুছ (বর্ণাঢ্য ধর্মীয় র‌্যালী)। সেই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটি শহরে প্রতি বছর বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপন করা হচ্ছে জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম।

এবারের জুলুছে কি পরিমান মানুষের উপস্থিতি হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু সৈয়দ জানান, প্রতিবছরই জুলুছে লোক সমাগম বাড়ছে। এবারের জুলুছে দশ হাজারের অধিক লোক সমাগম হবে বলে জানান তিনি। রাঙামাটির প্রায় প্রতিটি উপজেলা থেকেও লোকজন জুলুছে অংশ গ্রহণ করবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

১৬ নভেম্বর ২০১৮ শুক্রবার জুমার নামাজের পর রিজার্ভ বাজার জামে মসজিদ থেকে বর্ণাঢ্য জশনে জুলুছ শুরু করে প্রেসক্লাব, দোয়েল চত্বর, কাঠালতলি, পৌরসভা হয়ে বনরূপা জামে মসজিদে সমাপ্ত হবে। এই জুলুছে শহরের তবলছড়ি, কলেজ-গেইট, ভেদভেদি, মানিকছড়িসহ জেলার প্রত্যন্ত উপজেলা থেকেও শত শত মুসলমান যোগদান করবে।

এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা গাউছিয়া কমিটির আহবায়ক কমিটির সদস্য মাওলানা শফিউল আলম আল-ক্বাদেরী, হাজী মোঃ মুছা, হাজী মোঃ নাছির উদ্দিন, হাজী মোঃ আবদুল করিম খান ও হাজী মোঃ জসীম উদ্দিন। এছাড়াও গাউছিয়া কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •