চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবীতে লাখো মানুষের ঢল

0

আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ (মু.জি.আ.)’র নেতৃত্বে চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবীতে লাখো মানুষের ঢল

=

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম উদ্যাপন উপলক্ষে আন্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় গত ২ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়। আওলাদে রাসূল রাহনুমায়ে শরিয়ত ও তরিকত আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ মুদ্দাজিল্লুহুল আলী, শাহজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাশেম শাহ, শাহজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ ছাহেবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ জুলুছটি নগরীর ষোলশহরস্থ আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়দিয়া তৈয়বিয়া হতে সকাল ৮টায় শুরু হয়ে নগরীর বিবিরহাট, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জ, চকবাজার, চন্দনপুরা, দিদার মার্কেট, সিরাজুদ্দৌলাহ রোড, আন্দরকিল্লা, মোমিন রোড, জামাল খান, প্রেসক্লাব, গণী বেকারি, চট্টগ্রাম কলেজ, চকবাজার, কাতালগঞ্জ, মুরাদপুর হয়ে ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ময়দানে গিয়ে বিশাল মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম মাহফিলে মিলিত হয়। চল্লিশ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত জুলুছের পুরোটাই জুড়ে নারায়ে তাকবির, নারায়ে রিসালাতের ধ্বণি, কুরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ই রাসূল সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম পরিবেশনে মুখরিত হয়ে উঠে। জুলুছ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা ময়দানে আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ (ম.জি.আ.)এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশাল ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, আওলাদে রাসূল শাহজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাশেম শাহ (ম.জি.আ.), প্রধান বক্তা ছিলেন, শাহজাদা আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ (ম.জি.আ.)। বিশেষ অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন। সমাবেশে প্রধান অতিথি আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে করুণা ও রহমতের বারতা নিয়ে এ পৃথিবীতে আগমণ করেছেন। তিনি পৃথিবীতে এসে বিভ্রান্ত মানব জাতিকে সত্যের দিশা দিয়েছেন, আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম ইসলামকে পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। অন্যায়, অত্যাচার, অবিচার,সংঘাত, সংঘর্ষ, যুদ্ধ-বিগ্রহ দূরীভূত করে মানবতাবাদী বিশ্ব গড়ে তুলেছেন। সারা পৃথিবী জুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। মহানবীর আগমন মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য অফুরন্ত নেয়ামত। এ নিয়ামতের শোকরিয়া আদায়ার্থে আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী মুসলমানদের আজ আনন্দের দিন, খুশির দিন। আজকের দিন মূলত ঈদের দিন। যে ঈদ না পেলে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পেতাম না আমরা। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে হুজুর আল্লামা তৈয়ব শাহ রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি এ জুলুছের প্রবর্তন করে শুধু আমদেরই ঋদ্ধ করেননি বরং বিশ্ববাসীকে ঋদ্ধ করে গেছেন। আজ চট্টগ্রামের এ জশনে জুলুছ একদিকে যেমন বিশ্বের সর্ববৃহৎ জুলুছে পরিণত হয়েছে অপরদিকে বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় ৪৫টি দেশে এ জুলুছ রাষ্ট্রীয় বা বেসরকারিভাবে পালিত হচ্ছে। তিনি লাখো মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ সুশৃঙ্খল জুলুছের আয়োজনে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। প্রধান বক্তা আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ (ম.জি.আ.) বলেন, নবী প্রেমে উজ্জীবীত হয়ে চট্টগ্রামবাসীসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যেভাবে জুলুছকে সফল করেছেন তাতে আমরা অভিভূত। আমার যতটুকু দৃষ্টি পড়েছে মনে হয়েছে এ জুলছ এক মহাসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। তিনি বলেন, মুসলমানদের ঈমানের সবচেয়ে বড় পরিচয় আল্লাহর প্রিয় হাবিব সরওয়ারে কায়েনাত হুজুর করিম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন করা। এ জশনে জুলছ তারই বহিপ্রকাশ। তিনি বলেন, মহানবীর অতুলনীয় আদর্শকে ধারণ করে ইসলামি বিধানের আলোকে জীবন গঠনে আমাদের পথপ্রদর্শন করেছেন শাহেনশাহে সিরিকোট আল্লমা সৈয়দ আহমদ শাহ রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি ও আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তৈয়ব শাহ রহমাতুল্লাহি আলায়হি। বর্তমান হুজুর কেবলা সে ধারাবাহিকতায় সিলসিলায়ে আলিয়া কাদেরিয়ার মাধ্যমে ইসলামের মর্মবাণী মানুষের কাছে পৌছিয়ে দিচ্ছেন। বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ (ম.জি.আ.), আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (ম.জি.আ.) ও আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ হামেদ শাহ (ম.জি.আ.)কে মুবারকবাদ জানিয়ে বলেন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে চট্টগ্রামে যে স্মরণকালের বৃহত্তর জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে তা আমাদের গৌরবান্বিত করেছে। এ জুলুছ আজ চট্টগ্রামের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। আগামীতে এ জুলছ যেন আরো সুশৃঙ্খল ও সুন্দরভাবে হয় সে জন্য আনজুমান কর্তৃপক্ষকে সাথে নিয়ে একসাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান বলেন, এদেশের মানুষ বিশ্ব মানবতার কাৃারী মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি যে ভালোবাসা ও প্রেম প্রদর্শন করার লক্ষ্যে আওলাদে রাসূলের নেতৃত্বে আয়োজিত জুলুছে অংশগ্রহণ করেছে তা এককথায় অতুলনীয়। তিনি বলেন, হিজরি সালের গণনায় আজকের এ জুলুছ ৪৪তম বর্ষে পদার্পন করেছে। এটি এখন চট্টগ্রামের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মীয় র‌্যালী হিসাবে এ জুলুছ ‘ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ’-স্থান পাওয়ার দাবি রাখে। তিনি বলেন, আল্লামা হাফেজ কারী সৈয়দ মুহাম্ম তৈয়ব শাহ রহমাতুল্লাহি আলায়হি এ জুলুছ প্রবর্তন করে আমাদের সৌভাগ্যবানের কাতারে নিয়ে গেছেন। এ জন্য আমরা এ মহান আওলাদে রাসুলের শোকরিয়া আদায় করছি। মাহফিলে আন্জুমানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহসিন জুলুছের সাদারত ও অতিথি হুজুর কেবলায়ে আলম ও দুই ছাহেবজাদার শোকরিয়া আদায়সহ লাখো ধর্মপ্রাণ সুন্নি মুসলমানদের অভিনন্দন জানান।
আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, তাঁর শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, জশনে জুলুছ নবীপ্রেমিকদের ঐক্যের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। তিনি জশনে জুলুসের প্রবর্তনকারী হুযূর ক্বেবলা তৈয়ব শাহ্ (রহ.)’র অবদানের কথা কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করেন। তিনি জুলুস আয়োজনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সার্বিক সহযোগিতার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্টসহ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন, প্যানেল মেয়র জুবায়রা নার্গিস, সিডিএর চেয়ারম্যান আব্দুচ ছালামসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। ওয়াসা, বিদ্যুৎ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, সকল গোয়েন্দা সংস্থা, এএসএফ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

গাউসিয়া কমিটির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ারুল হক ও আল্লামা বখতেয়ার উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ কমিশনার, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান আলকাদেরী, আল্লামা মুফতি আবদুল ওয়াজেদ, জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আল্লামা সৈয়দ আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়বিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ আল্লামা কাজি আবদুল আলিম রিজভী, উপাধ্যক্ষ আল্লামা আবুল কাশেম ফজলুল হক, মুহাদ্দিস আল্লামা আশরাফুজ্জামান আলকাদেরী, বন্দর তৈয়বিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়ার অধ্যক্ষ আল্লামা বদিউল আলম রিজভী, দাওয়াতে খায়ের কেন্দ্রীয় সম্পাদক মাওলানা মোজাম্মেল হক, আল্লামা আবুল হাশেম শাহ, আল্লামা আবুল আসাদ জুবায়ের রিজভী, অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার, অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাসুম চৌধুরী, অধ্যাপক সৈয়দ জালাল আজহারি, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু তৈয়ব, গাউসিয়া কমিটি ইউএই শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জানে আলম প্রমূখ। মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন আনজুমানের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি ও জুলুছ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক, অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন সাকের, ফিন্যান্স সেক্রেটারি আলহাজ্ব সিরাজুল হক, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি প্রফেসর কাজি সামশুর রহমান, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোবারক আলী, ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ্ব মোরশেদুল আলম, ঢাকা আনজুমান সদস্য আলহাজ্ব ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় আনজুমান সদস্য আলহাজ্ব আবদুস সাত্তার, আলহাজ্ব নুরুল আমিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আলহাজ্ব আবদুল মোনাফ সিকদার, আলহাজ্ব শেখ নাছির উদ্দিন, আলহাজ্ব কমরুদ্দিন সবুর, আলহাজ্ব আবুল কাসেম টিম্বার, আলহাজ্ব আবদুল হাই মাসুম, গাউসিয়া কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও আনজুমান সদস্য আলহাজ্ব আবদুল হামিদ, মহাসচিব শাহজাদ ইবনে দিদার, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবুল হক খান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব ইলাহি শিকদার, মহানগর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল মনসুর, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাদেক হোসেন পাপ্পু, দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মাস্টার হাবিবুল্লাহ, উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক এড. জাহাঙ্গির আলম চৌধুরী। মাহফিল শেষে আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহ (ম.জি.আ.) দেশের প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ হায়াত, দেশ, জাতি ও মুসলিম মিল্লাতের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করেন।

ঢাকায় জশ্নে জুলুছ উদযাপিত
প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট, ঢাকার উদ্যোগে ২৯ নভেম্বর ৯ রবিউল আউয়াল বুধবার পবিত্র জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদ্ন্নুবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম উদযাপন করা হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজার হাজার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম প্রেমিক আশেকানগণের অংশ গ্রহণে ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুরস্থ কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসা প্রাঙ্গন হতে এক আজিমুশ্বান জুলুছ (ধর্মীয় র‌্যালী) বের হয়ে শাহজাহান রোড, ইকবাল রোড, আসাদ এভিনিউ, আসাদ গেইট, মিরপুর রোড, সোবহান বাগ, কলাবাগান, সাইন্সল্যাবটরী, ঝিগাতলা, সাত মসজিদ রোড, মোহাম্মদপুর, শিয়া মসজিদ, রিং রোড, সড়ক সমুহ প্রদক্ষিণ করে মাদ্রাসা’র সম্মুখে শেষ হয়।
জুলুছ শেষে মোহাম্মদপুরস্থ কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসা ময়দানে এক নুরাণী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরিক্বত হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।

প্রধান মেহমান ছিলেন সাহেবজাদা হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশেম শাহ্, (মা.জি.আ.) ও আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামেদ শাহ্ (মা.জি.আ.)। আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আঞ্জুমানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক, ঢাকা আনজুমানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, ভাইস- চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান, কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদরাসার সভাপতি ও ঢাকা আঞ্জুমানের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম রতন, সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক, ট্রেজারার আলহাজ্ব শোয়েবুজ্জামান চৌধুরী তুহিন, সদস্য শাহ্ হোসেন ইকবাল, হাজী নুরুল আমিন, ঢাকা মহানগর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবদুল মালেক বুলবুল সহ কেন্দ্রীয় ও ঢাকা আঞ্জুমানের নেতৃবৃন্দ।

মাহফিলের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা আনজুমানের সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আনজুমানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন ও সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। মাহফিলে জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া আলিয়া (কামিল) মাদরাসার অধ্যক্ষ কাজী আব্দুল আলিম রিজভী, মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন আল-আজহারী, মুফতী মাওলানা মাহমুদুল হাসান সহ দেশ বরেণ্য ওলামায়েকেরামগণ। মাহফিল পরিচালনা করেন উপাধ্যক্ষ আল্লামা মুফতী আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক ও হাফেজ মাওলানা মুনিরুজ্জামান আলকাদেরী।

মাহফিলে ওলামায়ে কেরামগণ বলেন নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এ ধরায় আবির্ভাব মুহূর্তে জিব্রাইল আলায়হিস্ সালামের নেতৃত্বে অসংখ্য ফেরেশতা ‘জুলুস’সহ মারহাবা ধ্বনিতে ধরায় অবতরণ এবং নবীকরিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম হিজরত করে মদীনা উপকন্ঠে পৌছালে সানিয়াতিলবেদা নামক স্থানে মদীনাবাসীগণ জুলুছ সহকারে সালাত সালাম ও সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের অনুকরণে আমরা যদি রবিউল আউয়াল মাসে নবীজির সম্মানে জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম পালন করি তাহলে অবশ্যই আমরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও নেয়ামত প্রাপ্ত হব। রাসুলপাক সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম আমাদের জন্য আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত।

সুতরাং ১২ রবিউল আউয়াল হুজুর করিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম-এর শুভাগমনের দিন হিসেবে সারা জাহানের জন্য ঈদ অর্থাৎ খুশির দিন। এদিনে শরীয়ত সম্মতভাবে খুশি উদযাপনে যে কোন কর্মসূচি পালন করাই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উত্তম উছিলা। যে কোন এবাদত যদি একাকি না হয়ে সম্মিলিত ভাবে জামাত সহকারে হয় তাহলে ছওয়াব বেশি হয়।

বক্তারা বাংলাদেশে রাষ্ট্রিয় ভাবে জশ্নে জুলুছ ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম উদযাপন করার দাবী জানান। শেষে বাংলাদেশসহ সমস্ত মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় দোয়া করেন হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।

রংপুরে জশনে জুলুস
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ রংপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গত ১২ রবিউল আওয়াল ২ ডিসেম্বর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করা হয়। এ সকল কর্মসূচীর মধ্যে ছিল আলোচনা সভা, মিলাদ মাহফিল ও জশনে জুলুছ।

এ উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে (সুরভী উদ্যান) হতে সকাল ৯ টায় বিশাল জশনে জুলুছ বের করা হয়। জেলা গাউসিয়া কমিটির উপদেষ্টা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মাওলানা আফজাল হোসাইনের নেতৃত্বে জুলুছটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে টেবিল টেনিস গ্রাউন্ডে এসে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

জেলা সভাপতি আব্দুল কাদির খোকনের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রিদওয়ান আশরাফি, নাসিরাবাদ দরবারের মাওলানা সাইদ, হাজি আবদুল বাসিত, হাজি আলি আকবর বাদল, মাওলানা বদিউজ্জামান, মাওলানা আবুল কাশেম, মাওলানা আমিরুল মোমেনিন, মাওলানা গোলজার প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান শরীফ বাবলু।
জুলুছে শেখপাড়া তাহেরিয়া আফতাবিয়া মাদরাসা, জিয়াতপুকুর মাযার শরীফ দাখিল মাদরাসা, রাজুখা আলহাজ্ব শাকের আলি চৌধুরী দাখিল মাদরাসা, মিঠাপুকুর কাদেরিয়া তাহেরিয়া রাবেয়া সুন্নিয়া মাদরাসার শিক্ষক ও ছাত্রবৃন্দ অংশগ্রহণ করে।

নীলফামারী তাহেরিয়া বদরুল আলম সুন্নিয়া মাদরাসা
চিলাহাটি তাহেরিয়া বদরুল আলম রোনা সুন্নিয়া দাখিল মাদরাসার উদ্যোগে ও চিলাহাটি গাউসিয়া কমিটির সহযোগিতায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন উপলক্ষে মাদরাসা ময়দান হতে জুলুস বের হয়। জুলুসটি সুন্নিয়া মাদরাসা রোড হয়ে বোর্ড বাজার, প্রধান পাড়া, সরকারপাড়া হয়ে মাদরাসা ময়দানে এসে শেষ হয়। জুলুছ শেষে মাদরাসা ময়দানে আলোচনা, মিলাদ, কিয়াম ও আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। আলোচনা করেন মাদরাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম।

ইসলামী শিক্ষা ও সুন্নী আক্বিদার প্রসারে দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম
রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীক্বত আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.) দেশে-বিদেশে অসংখ্য দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদরাসা, খানকা প্রতিষ্ঠা করেন। বন্দর থানাধীন হালিশহরস্থ মাদরাসা-এ তৈয়্যবিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রী) ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠা করে এতদঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর এ অবদান যুগ যুগ ধরে অম্লান থাকবে।” গত ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ৩ ঘটিকা হতে রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরীকত আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি. আ.) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বন্দর মাদরাসা-এ তৈয়্যবিয়া ইসলামিয়া সুন্নিয়া ফাযিল-এর সালানা জলসা তথা বার্ষিক বিশাল মাহফিলে হুযুর কেবলা উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি আরো বলেন- দ্বীনের খিদমত ও হযরাতে কেরামের প্রতিষ্ঠিত মাদরাসাগুলোর আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা ও বহুমূখী খিদমতের মাধ্যমে আল্লাহ্-রাসুলের সন্তুষ্টি অর্জন করুন।” এতে প্রধান মেহমান ছিলেন আওলাদে রাসুল শাহজাদা হযরতুলহাজ্ব আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ.)। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আনজুমান, জামেয়া, তৈয়্যবিয়া, গাউসিয়া কমিটি ও সীলসীলার বহুমুখী খেদমত করে যাঁরা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন, তাঁরা সৌভাগ্যবান। পূর্বসুরীদের অনুুসরণে আজকে যাঁরা এ মিশনকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয়ে নিয়োজিত হযরাতে কেরাম তাঁদের নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এর সুফল ও প্রতিদান ইহকাল এবং পরকালে ভোগ করতে থাকবেন। বিশাল জলসায় উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, লায়ন্স জেলা গভর্ণর মুহ্ম্মাদ মনজুর আলম মনজু , বার্ষিক প্রতিবেদন পাঠ করেন মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আনজুমান কর্মকর্তাবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারী জেনারেল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সামশুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক, এ্যাসিট্যান্ট সেক্রেটারী এস এম গিয়াস উদ্দীন শাকের ও ফিন্যান্স সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বদিউল আলম রিজভী, তকরীর করেন জামেয়ার শায়খুল হাদিস আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক নঈমী, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ারুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মাওলনা মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল হামিদ, এডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবুল মনছুর, আলহাজ্ব মুহাম্মদ সেলিম, আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া, আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইলিয়াছ, মোজাফ্ফর আহমদ, শাহজালাল ইসলামী বাংকের বন্দর টিলা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট মাওলানা এসকান্দর আলম, মাওলানা এ এস এম জালাল উদ্দিন ফারুকী, মাওলানা মুহাম্মদ আবুল হাছানাত আলকাদেরী, মাওলানা মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ ছগীর আহমদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইউনুছ তৈয়্যবী, মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আনোয়ারী, মাওলানা মুহাম্মদ জহির উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল গফুর খাঁন, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ খালেদ, মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান প্রমুখ। মাহফিলে ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক পর্দাসহকারে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় হাজার হাজার মহিলা ও অগণিত ধর্মপ্রাণ মুসলমান তরিক্বতের দীক্ষানিয়ে হুযুর কেবলার হাতে বায়াত গ্রহণ করেন। এছাড়া কুরআনুল কারিমের হিফজ সমাপ্তকারী ১৫ জন ছাত্রদের দস্তারে ফজীলত প্রদান করা হয়। মাহফিলে তৈয়্যবিয়া ইসলামি সংস্কৃতিক ফোরামের না’ত শিল্পী মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল নোমান ও আবদুল মুত্তালিব এর দলের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ না’ত ই রসুল পরিবেশনা করা হয়। পরিশেষে মিলাদ কিয়ামের মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে হুজুর কেবলার মুনাজাতের মাধ্যমে জলসা সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন মাওলানা আবুল হাছানাত আলকাদেরী ও মাওলানা ছগীর আহমদ আলকাদেরী।

রাউজানে তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদরাসার উদ্বোধন
গত ১৮ ডিসেম্বর দক্ষিণ রাউজানের নোয়াপাড়ায় তাহেরীয়া সুন্নিয়া মাদরাসার উদ্বোধন উপলক্ষে মাদরাসা পরিচালনা কমিটি ও গাউসিয়া কমিটি রাউজান (দক্ষিণ) থানা শাখার উদ্যোগে সুন্নী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান মেহমান ছিলেন আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.)।

বক্তারা বলেন, দেশের সুন্নি মাদ্রসাগুলো ইসলামের সঠিক মতাদর্শ প্রচার প্র্রসারে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। তার ধারাবাহিকতায় এ মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এজন্য এ মাদ্রাসায় সহযোগিতায় সুন্নি মুসলমানকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের দেহ এবং প্রাণ খুব অল্প সময়ের জন্য একত্রিত আছে। আর এই সংক্ষিপ্ত সময়টি এবাদত বন্দেগীর একমাত্র সুযোগ। যা কবরে আর আখেরাতে আর ফিরে পাওয়া যাবে না। এজন্য নিজেদেরকে মন্দ লোক থেকে রক্ষা করতে হবে।

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে নবনির্মিত মাদ্রাসার উদ্বোধক ছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, এখানে একটি সুন্নি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান হুজুর কিবলার মাধ্যমে উদ্বোধন করা হলো। এটি নিশ্চয় এ এলাকার মানুষের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে হুজুরের এ মাদ্রাসার জন্য সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাবো। তিনি এ মাদ্রাসার জন্য ৩০ লাখ টাকা অনুদান ঘোষণা করেন।

সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ (মা.জি.আ.), আল্লামা সৈয়্যদ আল্লামা হামেদ শাহ (মা.জি.আ.), আল্লামা মুফতি ওবাইদুল হক্ব নঈমী, আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, ফাইনেন্স সেক্রেটারী আলহাজ্ব সিরাজুল হক, এডিশনাল সেক্রেটারি শামসুদ্দিন, সংযুক্ত আরব আমিরাত গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ আইয়ুব, সেক্রেটারি আলহাজ্ব জানে আলম।

উপজেলা (দক্ষিণ) গাউছিয়া কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ ও যুগ্ম সম্পাদক কামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, তাহেরীয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া মেম্বার ও উপজেলা গাউসিয়া কমিটি দক্ষিণের সভাপতি আহমদ সৈয়দ।

প্রধান আলোচক ছিলেন, গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার। তাকরীর করেন ঢাকা কাদেরীয়া তৈয়বীয়া আলিয়ার মুহাদ্দিস আল্লামা জসিম উদ্দিন আল আজহারী, তাহেরীয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ শওকত হোসেন রেজবী। উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস শুক্কুর, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা ইয়াছিন হোসাইন হায়দরী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ আহসান হাবিব চৌধুরী, রাঙ্গুনীয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, বোয়ালখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক হক্কানী, নোয়াপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব দিদারুল আলম, পূর্ব গুজরা ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস উদ্দিন আহমদ, উরকিরচর ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ আব্দুল জব্বার সোহেল, পশ্চিম গুজরা ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দিন আরিফ, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম, আলহাজ্ব সালামত আলী, আ.লীগ নেতা জাফর আহমদ, জাহাঙ্গীর সিকদার, অধ্যক্ষ আবু মোস্তাক আল–কাদেরী, আলহাজ্ব আবু বক্কর সওদাগর, জসিম উদ্দিন মেম্বার, জাহাঙ্গীর আলম মেম্বার, আলহাজ্ব হাবিবুল ইসলাম চৌধুরী, আজিজুল হক, মাওলানা অলিয়ার রহমান, মাওলানা জিল্লুর রহমান হাবিবী, অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, ওয়াহিদুল আলম সুজন, জাহেদুল হক, শফিউল আজম কোম্পানি, হাফেজ সালাহ উদ্দিন, আব্দুল করিম, মেহাম্মদ ইউনুছ, আজিজ উদ্দিন, সালাহ উদ্দিন, মোরশেদ আলম, আব্দুল্লাহ আল মামুন, আমান উল্লাহ আমান, নুরুল হাকিম নিয়াজ, নওশাদ হোসেন, তসলিম উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, আলী হায়দার শাহ প্রমুখ।

বিভিন্ন স্থানে পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী মাহফিল উদ্যাপন

লক্ষ্মীপুর জেলা গাউসিয়া কমিটি
গাউসিয়া কমিটি লক্ষীপুর জেলার সোনাপুর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে গত ২০ নভেম্বর রাখালিয়া বাজার জামে মসজিদ ময়দানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ১২তম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলের আয়োজন হয়। এতে তকরির করেন আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন আলকাদেরী, বিশেষ মেহমান ছিলেন মাওলানা মুখতার আহমদ রজভী আলকাদেরী, সভাপতিত্ব করেন মুহাম্মদ ছালেহ আহমদ।

গাউসিয়া কমিটি উত্তর কুলগাঁও শাখা
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ উত্তর কুলগাঁও পরদাইশ চৌধুরী মসজিদ শাখার উদ্যোগে ৩ দিন ব্যাপী জমনে ঈদে মিলাদুন্নবী কনফারেন্স সম্পন্ন হয়। গত ১, ২ ও ৩ ডিসেম্বর পরদাইশ চৌধুরী জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সের সমাপনী দিবসে সভাপতিত্ব করেন গাউসিয়া কমিটি ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা সুলতানুল আলম আনছারী, প্রধান অতিথি ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আলকাদেরী, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ড. মাওলানা আনোয়ার হোসেন আলকাদেরী, অন্যান্যের মধ্যে তকরির করেন আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান, আল্লামা কাজী মঈনুদ্দিন আশরাফী, মাওলানা আতাউর রহমান নঈমী, মাওলানা হাফেজ ওসমান গণী আলকাদেরী, মাওলানা হাফেজ সৈয়দ আজিজুর রহমান আলকাদেরী, মাওলানা শেখ আরিফুর রহমান, মাওলানা সোহেল উদ্দীন আনছারী, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ হাসান আজহারী, মাওলানা নিয়াজ মখদুম ফারুকী, মাওলানা ইদ্রিস আনছারী, মাওলানা হাসান উদ্দীন আলকাদেরী, মাওলানা মঈন উদ্দীন আলকাদেরী প্রমুখ।

মাওলানা মুহাম্মদ আলী আলকাদেরীর সঞ্চালনায় অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবদুল মালেক চৌধুরী মাওলানা ইব্রাহীম খলিল, সৈয়দ নুরুল আনোয়ার, মাওলানা মুহাম্মদ আইয়ুব আলী, মাওলানা আনোয়ার হোসেন, মুহাম্মদ সামশুল আলম চৌধুরী, আলহাজ্ব শফিউল্লাহ্ কেরানী, শফিকুল আলম বি.কম., শহীদুল আলম বখতেয়ার, এনামুল হক সওদাগর, আলহাজ্ব মুহাম্মদ হোসেন, আলহাজ্ব শহীদ উল্লাহ্ প্রমুখ।

গাউসিয়া কমিটি জোয়ারা ইউনিয়ন শাখা
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চন্দনাইশ জোয়ারা ইউনিয়ন শাখার ব্যবস্থাপনায় বাদামতল শাহী জামে মসজিদের সম্মুখ হতে জশনে জুলুস বের হয়। বাদামতল মসজিদের সম্মুখস্থ ময়দানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে জুলুস সমাপ্ত হয়। আলহাজ্ব মাওলানা আবু তাহেরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ, প্রধান বক্তা ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ্ মাস্টার, বিশেষ বক্তা ছিলেন চন্দনাইশ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান ফারুকী, জোয়ারা ইউপি চেয়ারম্যান আমিন আহমেদ চৌধুরী রোকন, গাউসিয়া কমিটি চন্দনাইশ উপজেলার সেক্রেটারি মুহাম্মদ ইদ্রিস চৌধুরী, মুহাম্মদ আমির হোসেন চৌধুরী, মুহাম্মদ আবু তাহের, মাওলানা মুহাম্মদ তৌহিদুল মোস্তফা, মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান কুতুবী, মুহাম্মদ সাহাব মিয়া সওদাগর ও মুহাম্মদ ইলিয়াছ প্রমুখ।

চন্দনাইশে ঈদে মিলাদুন্নবী স্মারক বৃত্তি ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান
প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লামের পবিত্র আদর্শের যথাযথ অনুসরণই আখিরাতের মুক্তির একমাত্র পথ। এ আদর্শের চর্চা প্রত্যেক মুসলমানের নৈতিক ও ঈমানী দায়িত্ব। গত ২৪ নভেম্বর জোয়ারা ইসলামিয়া সিনিয়র মাদরাসা হলে চন্দনাইশ থানার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন আল্লামা আবু বকর শাহ্ রহমাতুল্লাহি আলায়হি স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী স্মারক বৃত্তি পরীক্ষার সনদ ও পুরস্কার বিতরণী সভায় আলোচকবৃন্দ উপরোক্ত আহ্বান জানান।

সংগঠনের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্মারক আলোচনা, সনদ-বৃত্তি প্রদান ও ঈদে মিলাদুন্নবী মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব মুহাম্মদ সাহাব উদ্দীন চৌধুরী, মাহফিলে উদ্বোধক ছিলেন অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আমিনুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলায়মান ফারুকী, মুহাম্মদ এনামুল হক, মুহাম্মদ আবদুর রহিম। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, আবুল কালাম আজাদ, মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, মাসুদুল ইসলাম ও ইরফানুল হক প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে চন্দনাইশ ও পটিয়ার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্ত ৪০জন ছাত্র-ছাত্রীর নিকট সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

গাউসিয়া কমিটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা (উত্তর) আয়োজিত মির্জা হোসাইন তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদরাসার সার্বিক সহযোগিতায় জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী গত ৭ রবিউল আউয়াল মাওলানা আবুল কালাম বয়ানী ও সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু মনছুরের পরিচালনায় মির্জা হোসাইন তৈয়্যবিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা প্রাঙ্গণ হতে শুরু হয়। জুলুস মাদরাসা হতে শুরু হয়ে উত্তর রাঙ্গুনিয়ার ৭টি ইউনিয়ন ও রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা এলাকাসহ ২৫কিলোমিটার এলাকা প্রদক্ষিণ করে মাদরাসা প্রাঙ্গণে এসে মাহফিলের মাধ্যমে শেষ হয়।

মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন আনজুমান রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক আল্লামা এম.এ. মান্নান, প্রধান বক্তা ছিলেন গাউসিয়া কমিটি কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, বিশেষ মেহমান ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মাওলানা জালাল উদ্দীন আযহারী, মাস্টার জমির হোসেন, আলহাজ্ব আহসান হাবীব চৌধুরী, আলহাজ্ব সেকান্দর হোসেন চৌধুরী, আলহাজ্ব আবদুল মোতালেব মাতব্বর, অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক আলকাদেরী, মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

কুতুবদিয়া উপজেলা গাউসিয়া কমিটি
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ কুতুবদিয়া উপজেলা শাখার ব্যবস্থাপনায় আলী আকবর ডেইলস্থ কুতুব আউলিয়া ও মাওলানা শামসুদ্দোহা ছিদ্দিকী (রহ.)র মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুস শুরু হয়। কুতুব শরীফ দরবারের সাজ্জাদানশীন মাওলানা জিল্লুল করিম মালেকীর নেতৃত্বে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এতে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আবুল আনছার ছিদ্দিকী, ছাবের আহমদ কোম্পানী, মাওলানা শফিউল আলম, মাওলানা হাফেজ ইউনুছ কুতুবী, মাওলানা হাছান কুতুবী, মাওলানা আমীর উদ্দিন, মাওলানা ফরিদুল আলম জেহাদী, হাজী আব্দুল গণী, মাওলানা জাকের হোসাইন, মাওলানা মুহাম্মদ একরামুল হক ছিদ্দিকী, মাওলানা শামসুল আলম, হাফেজ মুহাম্মদ সলিম উল্লাহ্, মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী, মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী বাবুল, গাজী জাফর সওদাগর, মীর কাসেম সওদাগর প্রমুখ।

গাউছিয়া কমিটির কুমিল্লা বরুড়া শাখার উদ্যোগে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিভিন্ন ত্রাণ বিতরণ
কুমিল্লা জেলা বরুড়া থানার গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ আদ্রা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে কক্সবাজারের উখিয়া অবস্থিত রোহিঙ্গাদের মাঝে নগদ অর্থ, নতুন জামা-কাপড় সহ বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন গাউসিয়া কমিটি ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল মালেক বুলবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ফয়েজুল আমিন, গাউসিয়া কমিটি আদ্রা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারী মাওলানা মোহাম্মদ ইমরান হোসেন তাহেরী, দা’ওয়াতে খায়ের সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসাইন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ আজিজী, সদস্য মোহাম্মদ আনিনুর রহমান ও মাহমুদুল হাসান প্রমুখ, গাউসিয় কমিটি নেতৃবৃন্দ রোহিঙ্গাদের উপর অমানবিক নির্যাতন করায় মায়ানমার সরকারের প্রতি তীব্র নিন্দা জানায় এবং অনতি বিলম্বে রোহিঙ্গাদের মাতৃভূমি নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে মায়ানমার সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।

গাউসিয়া কমিটির সাংগঠনিক তৎপরতা
পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ১৭ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়া শাখার দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল গত ১৮ নভেম্বর আলহাজ্ব মুহাম্মদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন নগর কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবুল মনসুর, বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর সহ সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, প্রধান বক্তা ছিরেন নগর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, বিশেষ অতিথি ছিলেন চান্দগাঁও থানা গাউসিয়া কমিটির সাবেক সেক্রেটারি জামাল আহমদ খান, চান্দগাও থানা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, শেখ ফরিদ মাজার শাখার সভাপতি মাওলানা আবদুস্ সাত্তার, বাকলিয়া থানা শাখার সহ সভাপতি হাজী মুহাম্মদ ইউনুছ মেম্বার, বাকলিয়া থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন সুরুজ, হাজী নুরুল আকতার, হাজী মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, মুহাম্মদ হোসেন, মুহাম্মদ নুর হোসেন, মুহাম্মদ রফিক, মুহাম্মদ ইনসাফ, মাওলানা ফখরুদ্দিন।
আরো উপস্থিত ছিলেন মুহামম্দ জাকারিয়া, আলহাজ্ব মুহাম্মদ সামশুল ইসলাম সওদাগর, মুহাম্মদ সেকান্দর, হাজী আমিনুল হক চৌধুরী, এম.এ. হালিম, ওসমান খলিফা, জানে আলম জানু, আবুল কালাম আবু, জানে আলম, নাজমুল হক বাচ্চু, নাছির মিস্ত্রি, ইব্রাহিম খলিল, সরওয়ার আলম, কামাল সওদাগর, গোলাম মোস্তফা, ওসমান গনি, আমিন, আবদুল কাদের রুবেল, আবদুল হাকিম, হায়দার আলী, আবদুর রহমান রাশেদ, নুরুল আলম, আমির নিজাম, মোরশেদুল আলম, ইলিয়াছ, ইউনুছ, আবদু নুর, তাজু, নুরুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ওয়ার্ড সেক্রেটারি আলহাজ্ব এ.এম. তাহের চৌধুরী।

পশ্চিম বাকলিয়া বড়মিয়া মসজিদ ইউনিট কমিটি গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওতাধীন বড়মিয়া মসজিদ ইউনিট শাখার কাউন্সিল গত ১৫ নভেম্বর মুহাম্মদ আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বড়মিয়া মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও মহল্লা কমিটির সেক্রেটারি এডভোকেট জানে আলম, মুহাম্মদ আমিন উল্লাহ্, সহ সভাপতি হাজী আমিনুল হক চৌধুরী, ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব এ.এম. তাহের চৌধুরী, যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম জানু, হায়দার আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ জানে আলম, উপদেষ্টা মুহাম্মদ সেকান্দর।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আবদুর রহমান রাশেদ সভাপতি, মুহাম্মদ সোহেল, আজগর আলী, আমিন উল্লাহ সহ সভাপতি, মিজানুর রহমান সাধারণ সম্পাদক, হারুন উর রশিদ আকাশ সাংগঠনিক সম্পাদক, হাফেজ মুহাম্মদ মোরশেদ দাওরায়ে দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, হাসান ইমাম অর্থ সম্পাদক, হাবিবুর রহমান আবিদকে প্রচার সম্পাদক করে ৫৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়।

কচুয়াই ইউনিয়ন শাখার অভিষেক
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়ন শাখার অভিষেক কচুয়াই ইউনিয়ন সভাপতি মুহাম্মদ জাকির হোসেন (মেম্বার) এর সভাপতিত্বে পূর্ব আজিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন গাউসিয়া কমিটি পটিয়া উপজেলা সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী (শামীম), প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ন-মহাসচিব আলহাজ্ব মাহাবুবুল হক খাঁন, প্রধান ওয়ায়েজ ছিলেন অধ্যক্ষ আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল-ক্বাদেরী। প্রধান বক্তা ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মাষ্টার, বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ মাহাবুবুল আলম (এম. কম), সহ-সাধারন সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম। কচুয়াই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এস. এম ইনজামুল হক জসিম, ইউ পি সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ সেলিম ঊদ্দীন, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। গাউসিয়া কমিটি কচুয়াই ইউনিয়ন শাখার নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ আতাউল হক চৌধুরী, খন্দকার মুহাম্মদ আবু জাফর, উপদেষ্টা মুহাম্মদ সামসুল হক খন্দকার, মুহাম্মদ আবু নোমান, কাজী মোহাম্মদ আবদুর রহিম খন্দকার, দাওয়াতে খায়ের সম্পাদক মুহাম্মদ নূরুল আলম ফারুকী, মোক্তার আহমদ, জাকির হোসেন ফারুকী, এমদাদ হোসেন চৌধুরী, মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন খন্দকার, মুহাম্মদ খোরশেদ চৌধুরী, মুহাম্মদ আলী চৌধুরী প্রমুখ।

চৈতন্যগলি ইউনিট শাখার সম্মেলন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ এনায়েতবাজার ওয়ার্ড শাখার আওতাধীন হযরত বেলায়েত আলী শাহ্ (রহ.) লেইন ও চৈতন্যগলি ইউনিটের দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিলে মুহাম্মদ আইয়ুবের সভাপতিত্বে, মুহাম্মদ ইউসুফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি কোতোয়ালী থানা পশ্চিম শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি আবদুল লতিফ, প্রধান বক্তা ছিলেন কোতোয়ালী থানা পশ্চিম শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আবদুল আলম আবদুল্লাহ্, বিশেষ অতিথি ছিলেন থানা কমিটি প্রচার সম্পাদক মফিজুর রহমান, সদস্য ফৌজুল কবির। বক্তব্য রাখেন ২২নং এনায়েতবাজার ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ ইউসুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইয়াকুব, মুহাম্মদ আবদুল্লাহ্, মুহাম্মদ আরশাদ, মুহাম্মদ আলমগীর, মুহাম্মদ আবুল কাশেম, নোমান।
কাউন্সিলে মুহাম্মদ আরশাদ সভাপতি, কাশেম সাধারণ সম্পাদক ও আবদুল্লাহ্ আল নোমান সাংগঠনিক সম্পাদক ও (আসাদ) রুবেলকে অর্থ সম্পাদক করে। ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়।

রেলওয়ে কলোনী ইউনিট শাখার সম্মেলন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম রেলওয়ে কলোনী ইউনিট শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন গত ১৫ নভেম্বর রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনীস্থ সৃজনী ক্লাবে এনামুল হক এনায়েতের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহ সভাপতি নুরুল আমিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ড গাউসিয়া কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ সৈয়দুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন কোতোয়ালী থানা পশ্চিমের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলম আবদুল্লাহ্, জামালখান ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আবু ইউসুফ।

সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ এনামুল হক সভাপতি, শাহজাহান সিনিয়র সহ সভাপতি, মিজানুর রহমান, শামীম আক্তার মতি, মফিজ উল্লাহ্ বাবলু, কাজী মহিবুর রহমান সহ সভাপতি, নুরুল আমিন সাধারণ সম্পাদক, শফিউর রহমান সহ সাধারণ সম্পাদক, রেজাউল করিম সাংগঠনিক সম্পাদক ও কামাল হোসেন মজুমদারকে অর্থ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

বরুমচড়া ভরাচর ইউনিট কমিটি গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ আনোয়ারা উপজেলা আওতাধীন ৫নং বরুমচড়া ইউনিয়নের ভরাচর ইউনিট শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন হায়দার আলী তালুকদার জামে মসজিদে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন আলকাদেরী, প্রধান অতিথি ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা আব্বাস উদ্দিন এবং মনির আহমদ। সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ হোসেন সভাপতি, আলহাজ্ব মুহাম্মদ সোলায়মান সাধারণ সম্পাদক ও হাফেজ মুহাম্মদ নুরুল আমিনকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

ফতেয়াবাদ শাখা গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলার ফতেয়াবাদ শাখা গঠনকল্পে এক প্রতিনিধি সভা ফতেয়াবাদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আলহাজ্ব দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন আলহাজ্ব মুহাম্মদ হারুন সওদাগর, বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তরজেলা গাউসিয়া কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামরুল হাসান চৌধুরী, আলহাজ্ব আবুল হাশেম সওদাগর, আলহাজ্ব আবুল বশর সওদাগর, আলহাজ্ব মুহাম্মদ কবির কোম্পানী, মুহাম্মদ ছালামত আলী, আলহাজ্ব মাওলানা আকতার হোছাইন, মাওলানা আবদুল মালেক চৌধুরী, আলহাজ্ব মাওলানা সৈয়দ মফজল আলম প্রমুখ।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আলহাজ্ব মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী সভাপতি, এডভোকেট সৈয়দ মোতাহের হোসেন সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ জাহেদুল আলম চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ মোরশেদ মেম্বার, মুহাম্মদ আবু শাহাদাত মুরাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ নুরুল হক বাবুল অর্থ সম্পাদক, সৈয়দ মাওলানা জুনায়েদকে দাওয়াতে খায়র সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী কমিঠি গঠন করা হয়।

পটিয়া উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে শাখা গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলাধীন গুয়াতলী আবু সুফিয়ান জামে মসজিদ ইউনিট শাখা গঠনকল্পে এক সভা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্থানীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ্ মাস্টার ও সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ছনহারা ইউনিয়ন শাখার সহ সভাপতি মুহাম্মদ শামশুল আলম খোন্দকার। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামকে সভাপতি, মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম সিনিয়র সহ সভাপতি, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ তাহেরুল হক সহ সভাপতি, মুহাম্মদ রুবেল সাধারণ সম্পাদক, বশির আহমদ যুগ্ম সম্পাদক, মুহাম্মদ ইকবাল, মুহাম্মদ ফরহাদ সহ সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সাইফুল ইসলাম রকি অর্থ সম্পাদক, আবদুল্লাহ আল নোমান সহ অর্থ সম্পাদক, মাওলানা মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, মুহাম্মদ এনামুল হক চৌধুরী সহ দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, মুহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম প্রচার সম্পাদক, মুহাম্মদ ইরফান মাহমুদ সহ প্রচার সম্পাদক, সাবের আহমদ প্রকাশনা সম্পাদক, মুহাম্মদ সালাউদ্দিন সহ প্রকাশনা সম্পাদক, মুহাম্মদ মফিজ দপ্তর সম্পাদক, মুহাম্মদ ইমরান মাহমুদ সহ দপ্তর সম্পাদক, মাসুদুল আলমকে সমাজসেবা সম্পাদক করে কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়।

সাঁইদাইর আল-ফাতেমা জামে মসজিদ শাখার কাউন্সিল
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পশ্চিম পটিয়া জিরি ইউনিয়ন আওতাধীন ৬নং ওয়ার্ড সাইদাইর আল-ফাতেমা জামে মসজিদ শাখার কাউন্সিল গত ১ অক্টোবর সাইঁদাইর গাউসিয়া তৈয়্যবিয়া দিলোয়ারা বেগম সুন্নিয়া আলিম মাদরাসা হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। কাজী মোরশেদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে প্রধান অতিথি ছিলেন জিরি ইউনিয়ন শাখার উপদেষ্টা মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি ছিলেন জিরি ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শফিউল আজম বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রবিউল হোসেন মানিক, দাওয়াতে খায়র সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নুরুল আবছার, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সওদাগর ও আলহাজ্ব শামসুল আলম সওদাগর প্রমুখ।
কাউন্সিলে সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ ফোরকান সভাপতি, এম.এ. সুজন সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ সাইদুল হক সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ জাকারিয়াকে দাওয়াতে খায়র সম্পাদক করে ৬১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়।

আলমদার পাড়া বড় মাওলানা বাড়ী জামে মসজিদ কমিটি
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলাধীন আলমদার পাড়া বড় মাওলানা বাড়ী জামে মসজিদ ইউনিট শাখা গঠনকল্পে এক সভা মুহাম্মদ শাহনেওয়াজের সভাপতিত্বে স্থানীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান ও বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ্, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ছনহারা ইউনিয়ন শাখার অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নি¤েœাক্ত ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

সভাপতি মুহাম্মদ শাহনেওয়াজ, সহ সভাপতি মুহাম্মদ আবুল ফজল, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোহছেন ফরিদ, যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ জহির উদ্দিন খোকন, দাওয়াতে খায়র সম্পাদ মুহাম্মদ শাহজালাল, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ লোকমান হাকিম, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ জয়নাল আবদীন মিয়া। নির্বাহী সদস্য- মুহাম্মদ মাসুদুল ইসলাম, মুহাম্মদ তৈয়্যব সওদাগর, মুহাম্মদ সোলেয়মান, মুহাম্মদ মোসাদ্দেক হাসান, মুহাম্মদ ওমর ফারুক ও মুহাম্মদ মফিজুর রহমান।

আলমদারপাড়া বাইতুল ইজ্জত মসজিদ ইউনিট শাখা গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ছনহরা ইউনিয়ন শাখার আওতাধীন আলমদার পাড়া শাহ্ তৈয়্যবিয়া বায়তুল ইজ্জত জামে মসজিদ ইউনিট শাখা গঠনকল্পে এক সভা খোন্দকার শামসুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ্ মাস্টার, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পটিয়া উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলাম। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ খোরশেদ আলম আলমদারকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ এবং মুহাম্মদ আইয়ুব আলী সওদাগর সভাপতি, মুহাম্মদ আজাদ চৌধুরী সিনিয়র সহ সভাপতি, মুহাম্মদ আরমান আলমদার, মুহাম্মদ ছবুর খাঁন সহ সভাপতি, মুহাম্মদ আব্দুল আজিজ আলমদার সেক্রেটারী, মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত যুগ্ম সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুল আলীম সহ সাধারণ সম্পাদক, মুহাম্মদ বেলাল উদ্দিন সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ আবুল বশর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, শায়ের মুহাম্মদ আসরার তানজিম দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, মুহাম্মদ শাহাদত হোসেন সহ দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান অর্থ সম্পাদক, মুহাম্মদ সাইফুদ্দীন আলমদার সহ অর্থ সম্পাদক, মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন প্রচার সম্পাদক, মুহাম্মদ এনামুল হক সহ প্রচার সম্পাদক, মুহাম্মদ তাহের খাঁন দপ্তর সম্পাদক, মুহাম্মদ রাকিব চৌধুরী সহ দপ্তর সম্পাদক, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সমাজসেবা সম্পাদক, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান সহ সমাজসেবা সম্পাদক, মুহাম্মদ রিয়াদ আলমদার সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ছগির আহমদ সহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সম্পাদক, মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাজু, ফয়েজ আহমদ মিন্টু, মুহাম্মদ বোরহান উদ্দিন, মুহাম্মদ গফুর খান, মুহাম্মদ কাইছার, মুহাম্মদ রাশেদ আলমদার, মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক রনি, মুহাম্মদ একরাম চৌধুরী, মুহাম্মদ রনি আলমদার, মুহাম্মদ লোকমান চৌধুরী, মুহাম্মদ সালেহ জঙ্গীকে নির্বাহী সদস্য করে ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়।

আলমদারপাড়া বায়তুন নূর মসজিদ শাখা গঠন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ ছনহরা ইউনিয়ন শাখার আওতাধীন আলমদার পাড়া বায়তুন নূর জামে মসজিদ ইউনিট শাখা গঠনকল্পে এক সভা মুহাম্মদ হারুন আলমদারের সভাপতিত্বে আলমদার পাড়া বায়তুন নুর জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ্ মাস্টার, সহ সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, পটিয়া উপজেলা সহ সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ ও ১৫ সদস্য বিশিষ্ট নি¤েœাক্ত কার্যকরী পরিষদ গঠিত হয়। সভাপতি মুহাম্মদ হারুন আলমদার, সিনিয়র সহ সভাপতি মুহাম্মদ শামশুল ইসলাম তালুকদার, সেক্রেটারি আবু সিদ্দিক আবু, যুগ্ম সম্পাদক মুহাম্মদ আলমগীর তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ তালুকদার, দাওয়াতে খায়র সম্পাদক মুহাম্মদ জমির উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ নুরুল আজিজ, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ হোসেন তালুকদার, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ ইউনুচ তালুকদার। নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ আবুল কাশেম লেদু, মুহাম্মদ বাঁশী তালুকদার, মুহাম্মদ শাকিল, মুহাম্মদ সোহের, মুহাম্মদ রাসেদ আলমদার ও মুহাম্মদ আছহাব উদ্দিন।

লতিফপুর ওয়ার্ড শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পাহাড়তলী থানাধীন লতিফপুর ওয়ার্ড শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন গত ৩ নভেম্বর আলহাজ্ব আবদুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ে মাওলানা নজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় প্রথম অধিবেশনে প্রতিবেদন পাঠ করেন মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন। প্রতিবেদনের উপর বক্তব্য রাখেন লতিফপুর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম সাজ্জাদ, মুহাম্মদ আলী, আবু নাছের, ইকবাল হোসেন, রুবেল, রেজাউল করিম, মুহাম্মদ হোসেন, জিয়া উদ্দিন সুমন ও আব্দুল মান্নান। ২য় অধিবেশন আলহাজ্ব ইদ্রিস মুহাম্মদ নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পাহাড়তলী থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মুসলিম উদ্দিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল মনসুর, প্রধান বক্তা ছিলেন মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুবুল আল, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাদেক হোসেন পাপ্পু, বক্তব্য রাখেন মহানগর সদস্য মুহাম্মদ মফিজুর রহমান, মুহাম্মদ আজাদ। উপস্থিত ছিলেন পাহাড়তলী থানা কমিটির মুহাম্মদ হাফেজ, হাজী ইউছুপ, আলহাজ্ব শাহজাহান। মুহাম্মদ ফেরদৌস মিয়াকে সভাপতি, মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে সাধারণ সম্পাদক, কাজী তৌহিদুল আলম সাজ্জাদ সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহাম্মদ ইব্রাহীম শাকিলকে অর্থ সম্পদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয়।

বরলিয়া ইউনিয়ন শাখার কাউন্সিল
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ পটিয়া উপজেলার বরলিয়া ইউনিয়ন শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ওকন্যারা গাউসিয়া তৈয়্যবীয়া মাদরাসায় মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ও বিশেষ অতিথি গাউসিয়া কমিটি পটিয়া উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম এম.কম. ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, সিনিয়র সহ সভাপতি ডা. আবু সৈয়দ, সহ সভাপতি এ.জি.এম. আবুল মনসুর, যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন মেম্বার, সহ সম্পাদক হাজী শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন। সম্মেলনে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে এস.এম. শামশুদ্দিনকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ, আলহাজ্ব আলী আকবর খান সভাপতি, মুহাম্মদ নুরুল আবছার সেক্রেটারি, মুহাম্মদ হাছান সাংগঠনিক সম্পাদক, মাওলানা ইমাম হোসাইন দাওয়াতে খায়র সম্পাদক, হাফেজ আহমদকে অর্থ সম্পাদক করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরী পরিষদ গঠন করা হয। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব সুলতান আহমদ, আলহাজ্ব ফেরদৌস সওদাগর, আলহাজ্ব শামশুল আলম সওদাগর, এস.এম. আকতার হোসেন, গাজী দেলোয়ার হোসেন, ওয়াহিদ মুরাদ, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ও জামশেদ শরীফ প্রমুখ।

উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড শাখার কাউন্সিল
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ হালিশহর থানার আওতাধীন ২৬নং ওয়ার্ড উত্তর হালিশহর শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন গত ১৭ নভেম্বর মাদানী জামে মসজিদ সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ শহিদুল আলম সুমন, মুহাম্মদ আনিসুল ইসলাম রনি, মুহাম্মদ জাহিদুল হক অপু, আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইউছুফ খাঁন, মুহাম্মদ নুরুল আবছার, মুহাম্মদ আব্দুর রহিম, মুহাম্মদ আশিক রব্বানী, মুহাম্মদ ফয়সাল মুন্না প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ছিলেন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবুল মনছুর, প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহবুবুল আলম, প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ সাদেক হোসেন পাপ্পু। প্রতিবেদন পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ পারভেজ মিয়াজী, দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন গাউসিয়া কমিটি হালিশহর থানা সভাপতি আলহাজ্ব লায়ন মুহাম্মদ হোসেন, মুহাম্মদ সাইফুর রহমানের সঞ্চালনায় ২য় অধিবেশনে মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেনকে সভাপতি ও মুহাম্মদ পারভেজ মিয়াজীকে সাধারণ সম্পাদক করে কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয় নির্বাচিত হয়।

শোক সংবাদ

আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দীন চৌধুরীর ইন্তেকাল

চট্টগ্রামের অভিভাবক খ্যাত বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ, সাবেক চট্টগ্রাম সিটি মেয়র জননেতা আলহাজ্ব এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরী গত ১৪ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৩টায় ইনতিকাল করেন। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন) মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৭৪ বছর। পরদিন শুক্রবার চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদিঘী মাঠে স্মরণকালের বৃহত্তম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ মুসল্লী নামাজে জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। নামাজে জানাযার ইমামতি করেন জামেয়ার প্রভাষক হযরত গরীব উল্লাহ্ শাহ্ (রহ.) মসজিদের খতীব হাফেজ মাওলানা আনিসুজ্জমান ও মুনাজাত করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়্যদ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান, জানাযা শেষে শেখ ফরিদ চশমা হিল পারিবারিক কবরস্থানে পিতামাতার পাশে দাফন করা হয়। মুরশিদে বরহক আওলাদে রসূল, আল্লামা তাহের শাহ্ (মু.জি.আ.) ঢাকার কাদেরিয়া তৈয়্যবিয়া মাদরাসায় অনুষ্ঠিত এক মাহফিলে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করে মুনাজাত করেন। শোক প্রকাশ করেছেন সাহেবজাদা হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশেম শাহ্, (মা.জি.আ.) ও আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামেদ শাহ্ (মা.জি.আ.)।

আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মহসিন, সহ সভাপতি আলহাজ্ব আবু মুহাম্মদ তবিবুল আলম, সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল জেনারেল সেক্রেটারি আলহাজ্ব মুহাম্মদ শামসুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব সিরাজুল হক, এসিসটেন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন সাকের, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি আলহাজ্ব সিরাজুল হক, প্রেস এন্ড পাবিকেশন্স সেক্রেটারি আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদরাসার চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ (কমিশনার), জামেয়ার অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতী সৈয়্যদ অছিয়র রহমানসহ আনজুমান, জামেয়া, গাউসিয়া কমিটির সকল স্তরের কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ গভীর শোক জ্ঞাপন করেন।

বিবৃতিতে আনজুমান নেতৃবৃন্দ বলেন মহিউদ্দীন চৌধুরী ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অনুসারী জননন্দিত মরহুম ছিলেন একজন খাটি দেমপ্রেমিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। সমগ্র জীবন তিনি গণমানুষের কথা বলেছেন। তিনি রাহনুমায়ে শরীয়ত ও তরিকত গাউসে জমান আওলাদে রসূল, হযরতুল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ মু.জি.আ.র মুরীদ ছিলেন। আনজুমান, গাউসিয়া কমিটিসহ সিলসিলায়ে আলিয়া কাদেরিয়ার খেদমতে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করে গেছেন।

কবর জেয়ারত করলেন আল্লামা তাহের শাহ (মা.জি.আ.)
গত ১৮ ডিসেম্বর আওলাদে রাসূল আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ (মা.জি.আ.) সদ্য প্রয়াত সাবেক সিটি মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবর জেয়ারত করেছেন তাঁর দুই শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ হামেদ শাহ (মা.জি.আ.) এবং সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশেম শাহ (মা.জি.আ.) উপস্থিত ছিলেন। তিনি তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনায় মুনাজাত করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ছোট ছেলে বোরহানুল হাসান সালেহীন, আনজুমান ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, এডিশনাল সেক্রেটারী আলহাজ্ব মুহাম্মদ শামসুদ্দীন,জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক, এসিসট্যান্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন সাকের, আল্লামা মুফতি ওবায়দুল হক নঈমী, গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব এলাহী শিকদার, চট্টগ্রাম মহানগরের সাদেক হোসেন পাপ্পু প্রমুখ।

মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী
মাদরাসা এ তৈয়বিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল (ডিগ্রি)’র পরিচালনা পরিষদের চন্দ্রঘোনাস্থ সদস্য এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আলহাজ¦ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম চৌধুরী গত ৮ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ৯টায় ঢাকার পি.জি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। ইন্নলিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি চন্দ্রঘোনাস্থ মাদ্রাসা এ তৈয়বিয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাজিল’র আজীবন খেদমত আনজাম দেন। তাঁর ইন্তেকালে মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ, শিক্ষকমন্ডলি, কর্মচারী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, গাউসিয়া কমিটি রাঙ্গুনিয়া দক্ষিণ-মধ্যম ও উত্তর শাখার নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। আর মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মুনাজাত করেন অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী।

শেয়ার
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •