তাওবার গুরুত্ব- মাওলানা মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী

0

নবী-রাসূল ব্যতীত যে কোন মানুষের জীবনে পাপ পুণ্যের মিশ্রণ থাকা স্বাভাবিক। পাপ কর্মে লিপ্ত হলে সাথে সাথে তাওবা করে পুণরায় কল্যাণকর কাজে জড়িত হওয়াই হচ্ছে মুমিনের চরিত্র। কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা তাওবাকারীদের ভালোবাসেন।
তাওবার পরিচয়
তাওবার শাব্দিক অর্থ প্রত্যাবর্তন করা, স্বীকার করা, অনুশোচনা ইত্যাদি। পরিভাষায় তাওবা হলো গুনাহের মন্দত্বের কারণে তা পরিত্যাগ করা, অতীতে যা হয়েছে সেজন্য অনুশোচনা করা, পুনরায় গুনাহ করার ইচ্ছা পরিহারে দৃঢ় সংকল্প করা এবং যা সম্ভব তা পুনরায় করার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ করা। [নাদ্রাতুন নাঈম ৪র্থ খণ্ড, পৃ. ১৭১] হযরত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতে তাওবার শর্ত ৬টি। ১. অতীত মন্দকাজের জন্য অনুতাপ করা, ২. যে সকল ফরজ, ওয়াজিব, পরিত্যাগ করা হয়েছে তার কাযা আদায় করা, ৩. কারো ধন সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রহণ করে থাকলে তা ফিরিয়ে দেয়া, ৪. কাউকে হাত বা মুখ দ্বারা কষ্ট দিলে ক্ষমা চেয়ে নেয়া, ৫. ভবিষ্যতে সে পাপ কাজ না করার দৃঢ় সংকল্প করা, ৬. নিজেকে যেমন আল্লাহর নাফরমানিতে দেখেছে তেমনি নিজেকে আল্লাহ তা‘আলার আনুগত্য দেখা। উপরিউক্ত বিষয়াবলীর সমাবেশের নামই তাওবা।
ক্বোরআন করিমে তাওবার নির্দেশ
তাওবা হচ্ছে, মন্দের ব্যাপারে লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া। তাওবা বিষয়ে মহান আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন-
وَاسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُوْا اِلَيْهِ اِنَّ رَبِّيْ رحِيْمٌ وَدُوْدٌ-
আর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার নিকট ক্ষমা চাও, অতঃপর তাঁরই দিকে ফিরে এসো। নিশ্চয়ই আমার প্রতিপালক অত্যন্ত মেহেরবান ও অতি øেহময়।
[সূরা হুদ: আয়াত- ৯০] আল্লাহ্ তা‘আলা ঈমানদারদেরকে উভয় জগতের সফলতা অর্জনের জন্য তাওবার নির্দেশ দিয়ে বলেন-
وَتُوْبُوْا اِلَى اللهِ جَمِيْعًا اَيُّهَا الْمؤمِنُوْنَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُوْنَ-
হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর নিকট তাওবা কর যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার। [সূরা নূর: আয়াত-৩১] অন্যত্র আল্লাহ্ তা‘আলা খাঁটি তাওবা করার জন্য মুমিনদের নির্দেশ দেন-
يَااَيُّهَا الَّذِيْنَ اَمَنُوْا تُوْبُوْا اِلَى اللهِ تَوْبَةً نَصُوْحَا-
হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নিকট তাওবা কর, খাটি তাওবা। [সূরা তাহরীম: আয়াত-৮] ক্বোরআন ও হাদীসে ব্যবহৃত বাক্যসমূহ দ্বারা তাওবা করা সর্বোত্তম।
ক্বোরআন করিমে তাওবার দো‘আসমূহ
পবিত্র ক্বোরআনে ব্যবহৃত কিছু দো‘আ নিুরূপ-
ক.رَبَّنَا ظَلَمْنَا اَنْفُسَنَا وَاِنْ لَمْ تَغْفِرْلَنَا وَتَرْحَمْنَا لَنَكُوْنَنَّ مَنَ الْخَاسِرِيْنَ-
হে আমাদের প্রভু, আমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছি। যদি আপনি আমাদেরকে ক্ষমা না করেন এবং আমাদের প্রতি অনুগ্রহ না করেন তবে অবশ্যই আমরা ধ্বংস হয়ে যাব। [সূরা আ’রাফ: আয়াত- ২৪] খ.رَبَّنَا اِنَّنَا اَمَنَّا فَاغْفِرْلَنَا ذُونُوْبَنا وَقِِنَا عَذَابَ النَّارِ-

হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা ঈমান এনেছি, কাজেই আমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিন আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।
[সূরা আলে ইমরান: আয়াত- ১৬] গ. رَبَّنَا فَاغْفِرْلَنَا ذُنُوْبَنَا وَكَفِّرْ عَنَّا سَيِّأَتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ الْاَبْرَارِ-

হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করে দিন এবং দোষত্র“টিসমূহ দূর করে দিন। আর আমাদেরকে নেক্কার বান্দাদের সাথে মৃত্যু দিন।
[সূরা আলে ইমরান: আয়াত- ১৯৩] ঘ.اَنْتَ وَلِيُّنَا فَاغْفِرْلَنَا وَارْحَمْنَا وَاَنْتَ خَيْرُ الغَافِريْنَ-

আপনি আমাদের রক্ষক, সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের প্রতি করুনা করুন। আর আপনিতো সর্বাধিক ক্ষমাকারী। [সূরা আ‘রাফ: আয়াত- ১৫৫]

হাদীস শরীফে তাওবার দো‘আ
হযরত শাদ্দাদ ইবনে আউস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, সরওয়ারে কায়েনাত সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, সয়্যিদুল ইসতিগফার তথা সর্বোত্তম তাওবা হল-
اَللَّهُمَّ اَنْتَ رِبِّىْ لَااِلَهَ اِلَّا اَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَاَنَاعَبْدُكَ وَاَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ اَعُوْذُبِكَا مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ اَبُؤْلَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَاَبُؤْلَكَ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْ لِىْ فَاِنَّهُ لَايَغْفِرُ الذُنُوْبَ اِلَّا اَنْتَ-
হে আল্লাহ্, আপনি আমার প্রতিপালক। আপনি ছাড়া আর কোন প্রভু নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি আপনার বান্দাহ্ এবং যথাসম্ভব আমি আপনার অঙ্গীকার ও ওয়াদার উপর স্থির আছি। আমার সকল পাপের অপকারিতা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আমি আপনার দেয়া সকল নেয়ামতের কথা স্বীকার করছি। আর আমার সকল গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন। কেননা আপনি ব্যতীত কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
[সহীহ বুখারী শরীফ: হাদীস নম্বর- ৫৯৪৭] তাওবার ফজিলত
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে মুমিন ব্যক্তি বিছানায় গমনের সময় তিনবার নিুোক্ত দো‘আ পাঠ করবে, তাহলো-
اَسْتَغْفِرُ اللهَ الَّذِى لَااِلَهَ اِلَّا هُوَ الْحَىُّ القَيُّوْمُ وَاَتُوْبُ اِلَيْهِ-
অর্থাৎ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ছাড়া আর কোন মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী। আর আমি তাঁর নিকট তাওবা করছি। আল্লাহ্ তা‘আলা তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়, যদিও তা গাছের পাতা সংখ্যক হয়, যদিও তা মরুভূমির বালকুণা সংখ্যক হয়, যদিও তা পৃথিবীর দিবস সংখ্যক পরিমাণ হয়। [তিরমিযী: হাদীস- ৩৩৯০] তাওবার উপকারিতা
১. ইহকালীন কল্যাণ: অফুরন্ত সুখ অর্জিত হয়। মহান আল্লাহ্ তা‘আলা তাওবাকারীদের ভালবাসেন। তিনি তাওবাকারীদেরকে অফুরন্ত সুখ সম্ভোগ দান করেন। যেমন- মহাগ্রন্থ আল্ ক্বোরআনে এরশাদ হয়েছে-
وَاِنْ اسْتَغْفِرُوا رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوْبُوْا اِلَيْهِ يُمَتِّعُكُمْ مَتَاعًا حَسَنًا-
আর যদি তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। অতঃপর তাঁরই প্রতি তাওবা কর, তাহলে তিনি তোমাদেরকে অতি উত্তম সামগ্রী উপভোগ করতে দেবেন। [সূরা হুদ: আয়াত- ০৩] ২.প্রচুর ধন সম্পদ ও সন্তান সন্ততি লাভ
এ মর্মে আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন-
فَقُلْتُ اسْتَغْفِرُوْا رَبَّكُمْ اِنَّهُ كَانَ غَفَّارًا يُرْسِلُ السَّمَاءَ عَلَيْكُمْ مِدْرَارًا وَيُمْدِدْكُمْ بِاَمْوَالٍ وَبَيْنَ وَيَجْعَلْ لَكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَلْ لَكُمْ اَنْهَارًا-
(হযরত নূহ আলায়হিস্ সালাম তাঁর সম্প্রদায়কে তাওবার নির্দেশ দিতে গিয়ে যা বলেছিলেন তা ক্বোরআনে বিধৃত হয়েছে এভাবে) ‘‘আর আমি বললাম যে, তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর। নিঃসন্দেহে তিনি অতিশয় ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্তুতিতে উন্নতি দান করবেন। আর তোমাদের জন্য উদ্যানগুলো রচনা করবেন ও নহরসমূহ প্রবাহিত করবেন।
[সূরা নূহ: আয়াত- ১১-১২] পরকালীন মুক্তি: গুনাহকে নেকীতে পরিবর্তন
আল্লাহ্ তা‘আলা তাওবাকারীদের অত্যন্ত পছন্দ করেন। তাদের পাপ কর্মকে নেকীতে পরিবর্তন করা হয়। এ মর্মে এরশাদ হল-
اِلَّا مَنْ تَابَ وَاَمَن وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُوْلَئِكَ يُبَدِّلُ اللهُ سَيِّأتِهِمْ حَسَنَاتٍ-
অর্থাৎ- কিন্তু যারা তাওবা করে, বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎ কর্ম করে আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের পাপকে পুণ্য দ্বারা পরিবর্তন করেন। [সুরা ফুরকান: আয়াত- ৭০] ৪. গুনাহ্ মোচন ও জান্নাত দান
এ মর্মে আল্লাহ্ তা‘আলা এরশাদ করেন-
হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট খাঁটি তাওবা কর। তাহলে তোমাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। [সূরা তাহরীম: আয়াত- ৮] ৫. তাওবাকারী নিষ্পাপ হওয়া: এ মর্মে হাদীস শরীফে বর্ণিত, আছে যে-
عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قال رسولُ الله صلى الله عليه وسلم التَّائبُ مَنَ الذنب كمن لاذنب له-
হযরত ইবনে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, তাওবাকারী ঐ ব্যক্তির ন্যায় যার কোন গুনাহ নেই। [সুনানে বায়হাকী শরীফ: হাদীস- ২০৩৫০] তাওবা কবুলের উত্তম সময়
ক. প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ্ তা‘আলা নিজ বান্দাদেরকে তাদের কার কি মিনতি আছে তা পূরণের জন্য আহ্বান করতে থাকেন। যেমন হাদীসে বর্ণিত আছে-
عن ابى هريرة رضى الله عنه اَنَّ رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ينزل ربّنا تبارك وتعالى كل ليلة الى السماء الدنيا حتى يبقى ثلاث الليل الاخر فيقولُ من يدعونى فاستجيب له ومن يسألنى فأعطيهُ ومن يستغفرلى فاغفرله-
হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, প্রত্যেক রাতের শেষ তৃতীয়াংশে আল্লাহ্ তা‘আলা পৃথিবীর নিকটবর্তী আসমানে নাযিল হয়ে এই বলে ঘোষণা দেন যে, কে আছ আমার নিকট দো‘আ করবে? আমি তার দো‘আ কবুল করব। কে আছ আমার নিকট কিছু প্রার্থনা করবে? আমি তাকে দান করব। কে আছ আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করবে? আমি তাকে ক্ষমা করব। [সহীহ মুসলিম শরীফ: হাদীস- ১৮০৮] খ. দো‘আ ও তাওবা কবুলের অন্যতম সময় হল ফরজ নামাযের পর। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম নামাযের পরে ৩ তিনবার ইস্তিগফার পড়ে যে দো‘আ পড়তেন তা নিুরূপ-
اللهُم انت السَّلامُ ومنكَ السَّلام تَبَاركتَ يَاذا الجلالِ والاكرام-

তাওবা কবুলের সময়সীমা
ক. পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সকলের জন্য তাওবার দরজা খোলা থাকবে। হাদীসে বর্ণিত আছে-
عن ابى موسى الاشعرى رضى الله تعالى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان الله يبسط يده بالليل يتوب مسئ النهار وبالنهار يتوب مَسِئ الليل حتى تطلع الشمسُ من مَغرِبِهَا-
হযরত আবু মুছা আশআরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম সরওয়ারে কায়েনাত সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা প্রতি রাতে স্বীয় ক্ষমার হাত প্রসারিত করেন দিনের গুনাহগারদের তাওবা কবুলের জন্য। এমননিভাবে দিনের বেলা স্বীয় ক্ষমার হাত প্রসারিত করেন রাতের গুনাহগারদের তাওবা কবুলের জন্য। পশ্চিম দিক থেকে সূর্য উদয়ের পূর্ব পর্যন্ত (রাতে ও দিনে) এটি অব্যাহত থাকবে। [মুসলিম শরীফ: হাদীস-৭১৬৫] খ. একজন মুমিন যতক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুর গরগর শব্দ না করে ততক্ষণ আল্লাহ্ তা‘আলা তাওবা কবুল করেন। হাদীসে বর্ণিত আছে যে-
عن ابن عمر رضى الله عنه عن النبى صلى الله عليه وسلم قال ان الله تبارك وتعالى يقبل توبة العبد مالم يغرغر-
হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করিম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তা‘আলা ততক্ষণ বান্দাহর তাওবা কবুল করেন যতক্ষণ মৃত্যুর গরগর শব্দ না আসে। [সহীহ ইবনে হিব্বান: হাদীস- ৬২৮] আল্লাহ্ তা‘আলার নির্দেশ অনুযায়ী অতীত গুনাহের কথা স্মরণ করে ভবিষ্যতে গুনাহ না করার সংকল্প করার মাধ্যমে তাওবা করা সকলের একান্ত কর্তব্য। মহান আল্লাহ্ রাব্বুল ইজ্জত আমাদেরকে খাঁটি তাওবা করে তাঁর প্রিয়ভাজন হওয়ার তৌফিক দিন। আ-মী-ন।