আলহাজ্ব নূর মুহাম্মদ আলকাদেরী (রাহ.) স্মরণে- অধ্যাপক কাজী সামশুর রহমান

0

আল্লাহ্ জাল্লাশানুহু ইরশাদ করেন, ‘কুল্লু নাফসিন যাইকাতুল মউত।’ প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। শুধু মানুষ নয় আল্লাহর সৃষ্টি সবকিছুরই একদিন সমাপ্তি ঘটবে। আমাদের মুর্শিদ ক্বিবলা রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরীক্বত হাদীয়ে দ্বীনোমিল্লাত গাউসে জমান আওলাদে রাসূল (৩৯তম বংশধর) হযরতুল আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ রাহমাতুল্লাহি আলায়হি ইরশাদ করতেন, ‘কিছু দিনের জন্য এ নশ্বর দুনিয়ায় আমাদের আগমন।’ পুনরায় প্রত্যাবর্তন করতে হবে আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট। কাজেই এ স্বল্পতম সময় কোন রকম দুষ্কর্মে ব্যয় না করে মহান আল্লাহ্ ও প্রিয় নবীর নির্দেশিত পথে নিজের জীবনকে পরিচালিত করে পরকালের সঞ্চয় করতে হবে। অর্থাৎ নেক আমলের মাধ্যমে দু’জাহানের কামিয়াবী হাসিলের জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকা প্রয়োজন।
শরিয়ত ত্বরিক্বতের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসরণে মানুষ কামিল ইনসানে পরিণত হয়। প্রতিনিয়ত মানুষ মৃত্যু বরণ করছে আমাদের চারিদিকে। আত্মীয়-স্বজন বা নিকট সম্পর্কিত কোন ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো মৃত্যুকে সাধারণত মানুষকে প্রভাবিত করে না। এটাকে চিরচারিত নিয়ম বলে ধরে নেয়। অর্থাৎ সমাজে এর কোন আলোড়ন বা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না। তবে এমন কিছু ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ আমাদের মাঝে অবস্থান করেন যাদের ইন্তেকালে আমরা গভীরভাবে শোকবিহবল হয়ে পড়ি। মনের মাঝে শূন্যতার সৃষ্টি হয়। হারানোর বেদনায় রোদন করি। বিগলিত অশ্র“ধারা সংবরণ করা দুঃসাধ্য হয়ে উঠে। পরবর্তীতে মরহুমের আদর্শ জীবন কর্মকে সামনে রেখে নবউদ্যমে পথ চলতে প্রেরণা পাই। অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে যারা আমাদের সামনে আবর্তিত হয়ে থাকে সেরকম একজন মানুষকে স্মরণ করার জন্যই আমার এ ভূমিকার অবতারণা।
আজকের স্মরণীয় বরণীয় আলোচ্য ব্যক্তিত্ব হচ্ছেন আমাদের অগ্রজ কামিয়াব ইনসান আলহাজ্ব নূর মুহাম্মদ সওদাগর আলকাদেরী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি। সিলসিলায়ে আলিয়া কাদেরিয়া ত্বরিক্বতের বাগানের এক মহান আধ্যাত্মিক সাধক যুগশ্রেষ্ঠ বুজুর্গ কুতুবুল আউলিয়া আওলাদে রাসূল হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি রাহমাতুল্লাহি আলায়হির প্রিয় ভাজন, স্নেহধন্য মুরীদ আলহাজ্ব নূর মুহাম্মদ সওদাগর আলকাদেরী ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে ১৩৭৪ হিজরিতে ১১ মহররম বাকলিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। যৎসামান্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষে জীবিকার তাগিদে পৈতৃক ব্যবসার হাল ধরেন। অতি অল্প বয়সে স্বীয় মেধা, তীক্ষè বুদ্ধি, পরিশ্রম ও অধ্যাবসায় গুণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে একজন সফল বড় ব্যবসায়ী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
প্রভাব-প্রতিপত্তি অর্জনের কারণে একজন ডাকসাহটে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন পঞ্চাশদশক থেকেই। সেই সময়কার রাজনৈতিক দল মুসলিম লীগের নেতৃত্বও তিনি লাভ করেছিলেন নিজ কর্মগুণে। খ্যাতিমান ব্যবসায়ী হিসেবে আবির্ভাব হবার সাথে সাথে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব যেমন দিয়েছেন তেমনি জনদরদী হিসেবে খ্যাতিলাভ করে জননন্দিত সমাজপতি হন ও জনপ্রতিনিধি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
উচ্চ শিক্ষালাভের অধিকার বঞ্চিত মন সব সময় শিক্ষাবান্ধব হিসেবে তিনি নিজেকে উপস্থাপন করতে চাইতেন। এ কারণেই তিনি শিক্ষা প্রসারে সব সময়ই সহযোগিতা করতে উম্মুখ থাকতেন। লামাবাজার সিটি কর্পোরেশন বালক উচ্চ বিদ্যালয়, চরচাক্তাই বালক উচ্চ বিদ্যালয়, চন্দনপুরা গুলজার বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও বাকলিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ও মসজিদ প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। সুদীর্ঘ দুই যুগ ধরে বাকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম পৌরসভা সদস্য হিসেবে এলাকার জনগণের সেবা করে গেছেন। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ এ কথাটি তিনি সব সময় মাথায় রাখতেন। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সাহায্য করতে কখনো পিছপা হননি। ‘শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড’, শিক্ষা একটি জাতির উন্নতির সোপান। প্রিয় নবী ইরশাদ করেন, ‘‘শিক্ষা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনে চীন দেশে চলে যাও।’’ এ কথাগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ তিনি সব সময়ই হৃদয়ে ধারণ করতেন। রাজনৈতিক, সামাজিক প্রতিপত্তি, অর্থ বিত্তের প্রাচুর্য ও পারিবারিক জীবনের সফলতা সত্ত্বেও মনে কি এক না পাওয়ার হতাশা তাঁকে বিষন্ন করে রাখতো। বুঝতে পারছিলেন না মনের এ আকুতি কিভাবে মিঠাবেন। হঠাৎ এক সময় তাঁর জীবনে এক সুবর্ণ সুযোগ এসে গেলো। যুগশ্রেষ্ঠ অলীয়ে কামেল কুতুবুল আউলিয়া আওলাদে রাসূল (৩৮তম বংশধর) হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব হাফেজ সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ (পেশোয়ারী হুজুর) সিরিকোটি রাহমাতুল্লাহি আলায়হির সাথে সাক্ষাৎ ঘটে কয়েকজন পীরভাইদের মাধ্যমে। হুজুর ক্বিবলার খলীফা আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল খালেক ইঞ্জিনিয়ার রাহমাতুল্লাহি আলায়হি, আলহাজ্ব সুফী আবদুল গফুর রাহমাতুল্লাহি আলায়হি, ডা: তফাজ্জল হোসেন (টি. হোসেন) রাহমাতুল্লাহি আলায়হি প্রমুখ উচুঁ স্তরের পীরভাইদের সাহচর্যে এসে হুজুর ক্বিবলার মুরীদ হয়ে যান। পঞ্চাশ দশকের শেষ লগ্নে তিনি হুজুরের সান্নিধ্যে আসেন। শরিয়ত ত্বরিক্বতের যাবতীয় কাজকর্মে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনে সচেষ্ট হন। হুজুর ক্বিবলা প্রায় বলতেন, বিনা খেদমতে কিছু দিতে মন সায় দেয় না। এটা এক মহামূল্যবান কথা। হুজুর ক্বিবলার মুরীদ হয়ে এবং খলীফাগণের সাহচর্যে তাঁর মন প্রফুল্ল হয়ে উঠল। এখন মনে আর কোন চরম অতৃপ্তির ঢেকুর উঠে না। বিচলিত মন সুস্থির হল। পীরের আজ্ঞাপালন ও খেদমত মঞ্জিলে মাকসুদের সন্নিকটে নিয়ে যায় সওদাগর সাহেবকে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন পরম করুণাময় আল্লাহ্ জাল্লাশানহু প্রিয় নবীজী ও মুর্শিদ যার প্রতি দয়া পরবশ হবেন তার একটা ওসীলা হবেই। অর্থাৎ একজন কামেল পীর এর সন্ধান সে পাবেই। তবে তার জন্য চাই মনের পবিত্রতা ও একাগ্রতা। সওদাগর সাহেবের এটা ছিল বলেই জগৎবিখ্যাত অলী আওলাদে রাসূল’র সান্নিধ্যে আসার সৌভাগ্য হয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ্ ‘ফানাফীশ্ শায়খ’ মোকাম অর্জন করতে পারলেই ফানাফীর রাসূল হয়ে ফানাফীল্লাহ্ মোকাম স্তরে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। একথা তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন। আপন মুর্শিদের একান্ত প্রিয়ভাজন শিষ্য হিসেবে তিনি মুর্শিদের সাথে পবিত্র হজ্ব পালন করেছেন। মুর্শিদ ক্বিবলা গাউসে জমান আওলাদে রাসূল (৪০তম বংশধর) হযরতুল আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ রাহমাতুল্লাহি আলায়হির সাথে বাগদাদ শরীফ, আজমীর শরীফ, ইয়াংগুন (রেঙ্গুন) সহ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের প্রত্যন্ত অঞ্চল সফর করেছেন।
আপন মুর্শিদ মসলকে আ’লা হযরতের নীতি আদর্শের ভিত্তিতে যখন একটি দ্বীনি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কথা ঘোষণা করলেন তখন সওদাগর সাহেব অন্য পীর ভাইদের সাথে আবেগাপ্লুত হন। একদা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কোহিনূর ইলেক্ট্রিক প্রেসের ওপরে হুজুর ক্বিবলার হুজরায় বসে হুজুরের ছদারতে পরামর্শ সভা হচ্ছিল সে বৈঠকে তিনিও উপস্থিত ছিলেন। ভিত্তি ও অবকাঠামো নিয়ে বিশেষ শলা-পরামর্শ চলছিল। কেউ বলেছেন বাঁশের বেড়া টিনের ছাউনি, কেউ বা সেমি পাকা এভাবে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছিলেন। হুজুর ক্বিবলা চুপচাপ নীরব ভূমিকায় থাকলেন। সম্ভবত কোন পরামর্শই হুজুরের মনঃপূত হচ্ছিল না। অবশেষে হুজুর ক্বিবলা সওদাগর সাহেবের পরামর্শ চাইলে তিনি উৎসাহের সাথে বললেন, হুজুর পাকা দালান হবে। রড-সিমেন্ট আমি দেব। এ কথায় হুজুর ক্বিবলার চেহারায় প্রফুল্লতা ভেসে উঠল। এবং বললেন সাবাশ বেটা। প্রতিশ্র“তি অনুযায়ী ট্রাকে করে সিমেন্ট রড পাঠিয়ে দেয়া হল নাজির পাড়া মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের জন্য (জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া) পরবর্তীতে নিজের বাস ভবনের দুটি তলা হুজুরের হুজুরা ও সিলসিলার কার্যকক্রমের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেন (ওয়াকফ)। সিলসিলায় দাখিল হওয়া থেকে আমৃত্যু তিনি শরিয়ত ত্বরিক্বত আনজুমান ও জামেয়ার খেদমত করেছেন নিঃসার্থভাবে আপন পীরকে রাজী করার উদ্দেশ্যে।
বলুয়ার দিঘীপাড়ের ওই ভবন খানকায়ে কাদেরিয়া স্যৈয়দিয়া তৈয়্যবিয়া নাম ধারণ করে যুগ যুগ ধরে সিলসিলার কার্যক্রম প্রচার-প্রসারে এক অসাধারণ ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। মুর্শিদের আস্থাভাজন ও ফানাফীশ্ শায়খ স্তরে পৌঁছানোর কারণে মুর্শিদ আওলাদে রাসূল গাউসে জমান হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ রাহমাতুল্লাহি আলায়হি ‘খিলাফত’ দানে তাঁকে সৌভাগ্যমণ্ডিত করেন।
ব্যবসায়িক পরিমণ্ডলে তিনি একজন সমাজ সচেতন ও সফল ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে বক্সিরহাট মার্চেন্ট ডিফেন্স কমিটির সভাপতি, চট্টগ্রাম শিল্প ও বণিক সমিতির সদস্য, সয়াবিন ও তুলা আমদানি কারক সমিতির সভাপতি এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ট্রাস্টি প্রভৃতি পদ অলংকৃত করতে সমর্থ হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি জমিয়তুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদের বোর্ড অব গভর্ণরস্ এর সদস্য ও হজ্ব কমিটির সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন।
সবচেয়ে উল্লেখ্যাযোগ্য হল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত’র প্রধান পৃষ্ঠপোষক দেশের বৃহত্তর দ্বীনি প্রতিষ্ঠান আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও আশেকে রাসূল গড়ার প্রতিষ্ঠান, বাতিল পন্থীদের আতংক, মসলকে আ’লা হরযরত’র নীতি-আদর্শ প্রচারের অন্যতম বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত দ্বীনি শিক্ষা প্রাতিষ্ঠান জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সাথে আমৃত্যু। তাঁর চেহারায় নূরানী দ্যুতির ঔজ্জ্বল্য লক্ষ্য করা যেতো সব সময়। ত্বরিক্বতে দীক্ষিত হয়ে হুজুরের সান্নিধ্যে থেকে এলমে দ্বীন’র অনেক শিক্ষা তিনি লাভ করেছিলেন। শরিয়ত ত্বরিক্বতের মহীরূহ হিসেবে তিনি আমাদের মাঝে সর্বদা বিরাজমান। তিনি এ সিলসিলার একজন আদর্শ সৈনিক। তিনি শ্রদ্ধাষ্পদ, শ্রদ্ধাসনে অধিষ্ঠিত এক বিরল ব্যক্তিত্ব। তাঁর সুযোগ্য সন্তান আলহাজ্ব মুহাম্মদ মহসিন আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার প্রভাবশালী সদস্য হিসেবে আনজুমান, জামেয়া, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। মরহুম আলহাজ্ব আনিস আহমদ আনিসও গাউসিয়া কমিটি মহানগর শাখার প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে আলহাজ্ব ছাবের আহমদ উক্ত দায়িত্বে থেকে খেদমত আঞ্জাম দিচ্ছেন। মরহুমের পরিবারের সকলেই এ সিলসিলার কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়ে খেদমত করছেন। এ মহান ব্যক্তি ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক ১৪০০ হিজরি ১৯ মহররম ইন্তেকাল করেন। পরম করুণাময় আল্লাহ্ জাল্লাশানুহু তাঁকে রা’ফে দরাজাত দান করুন। আমিন। দুনিয়া আখিরাতের সফল্য কামনায় আমরা যেন তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পথ চলি, এ হোক আমাদের প্রতিজ্ঞা, নশ্বর পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও লক্ষ লক্ষ পীর ভাই-বোন তথা নবী প্রেমিকদের মনে অবিনশ্বর হয়ে থাকবেন যুগ যুগ ধরে।

লেখক: আনজুমান ট্রাস্টের প্রচার-প্রকাশনা সম্পাদক ও আলহাজ্ব নূর মুহাম্মদ আলকাদেরী স্মৃতি সংসদের সভাপতি